প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন এমপি বলেছেন, পর্যায়ক্রমে ২ কোটি ২০ লাখ শিশুকে টিকার আওতায় নিয়ে আসব। এখন পর্যন্ত যারা রেজিস্ট্রেশন করেছেন আপাতত তাদেরই দেওয়া হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (২৫ আগস্ট) সকালে রাজধানীর নীলক্ষেত সরকারি প্রাথমিক স্কুলে শিশুদের টিকাদান কর্মসূচির সূচনাকালে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় তার সাথে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, যারা রেজিস্ট্রেশন করতে পারেনি তাদের পরবর্তী সময়ে দেওয়া হবে। আমরা কেন্দ্রভিত্তিক তা প্রদান করেছি। কারণ কেন্দ্র সিলেকশন করলে তারা অটোমেটিক স্কুলে এসে টিকা নিতে পারবে।
মো. জাকির হোসেন বলেছেন, করোনা প্রতিরোধের মাধ্যমে শিশুর সুরক্ষা নিশ্চিত করে নিরাপদে শিক্ষা প্রদানের জন্য সরকার ৫-১১ বছর বয়সী সকল শিশুকে টিকা দেয়ার উদ্যোগ নিয়েছে। স্কুলেই টিকা পাবে শিশুরা। প্রতিমন্ত্রী সবাইকে জন্মনিবন্ধন করে শিশুকে টিকাদানের জন্য অভিভাবকদের অনুরোধ করেন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, করোনা প্রতিরোধে ৫ থেকে ১১ বছর বয়সী শিশুদের জন্য ফাইজারের বিশেষ টিকা দেশে আসে গত ৩০ জুলাই। ওই দিন বিশেষভাবে তৈরি ফাইজারের ১৫ লাখ ২ হাজার ৪০০ ডোজ টিকা আসে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সহায়তায় সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে শিশুদের তালিকা করা হয়েছে। দেশে এই বয়সী শিশুদের অনুমিত সংখ্যা ২ কোটি ২০ লাখ।
বৃহস্পতিবার ( ২৫ আগস্ট) থেকে দেশের ১২টি সিটি কর্পোরেশনের ১৮৬টি এবং রাজধানীর ১৫টি বিদ্যালয়ে এ টিকাদান কর্মসূচি হয়েছে।
পর্যায়ক্রমে জেলা-উপজেলা পর্যায়ের শিক্ষার্থীদেরও টিকা দেয়া হবে।