প্রতিদিন রাজধানীর গণপরিবহনে অভিযান চালাচ্ছে বিআরটিএ'র ভ্রাম্যমাণ আদালত। বিভিন্ন অনিয়ম-অভিযোগে আদায় করা হচ্ছে জরিমানা। দেওয়া হচ্ছে মামলা। বিআরটিএ'র এসব অভিযান স্বত্বেও রাজধানীর সড়কে ফেরেনি শৃঙ্খলা।
অতিরিক্ত ভাড়া আদায়, ওয়েবিল সিস্টেম, যত্রতত্র যাত্রী তোলা কোনোটিই বন্ধ হয়নি।
বৃহস্পতিবার (১ সেপ্টেম্বর) ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহানগরীর ১৪টি স্পটে বিআরটিএ'র ৯টি ভ্রাম্যমাণ আদালত বিভিন্ন অভিযোগে ৮৪টি মামলায় মোট ৩ লাখ ৪৪ হাজার ৪০০ টাকা জরিমানা আদায় করেছেন।
বিআরটিএ সূত্র জানায়, এ সময় অতিরিক্ত ভাড়া আদায় এবং রুট ভায়োলেশন, রুট পারমিট না থাকা,হাইড্রোলিক হর্ন,ফিটনেস না থাকা,ওয়েবিল ও অন্যান্য অপরাধের দায়ে ৮৪টি বাসের বিপরীতে মোট ৮৪ মামলায় প্রায় সাড়ে তিন লাখ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।
এছাড়া রুট পারমিট না থাকায় একটি গাড়িকে ডাম্পিং স্টেশনে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে বিআরটিএ।
এদিকে বাড়তি ভাড়া আদায় নিয়ে বাগবিতণ্ডা হয় যাত্রীদের সঙ্গে। চার্ট অনুযায়ী ভাড়া নেওয়ার কথা বললে ওয়েবিলের কথা বলে বেশি টাকা আদায় করে।
এরপরও যাত্রীরা পুরো বাসে গাদাগাদি করে উঠতে বাধ্য হন এবং অতিরিক্ত ভাড়া দেন। তবে বিপাকে পড়েন নারী যাত্রীরা। তাদের বাসে ওঠার সুযোগই হয়নি ভিড়ে।
বাসের এ অনিয়ম আর অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ে যাত্রীদের দৈনন্দিন জীবনের খরচের মাত্রা আরো কয়েকগুন বেড়ে যায়।
বাসে উঠতে না পেরে কর্মজীবী এক নারী ক্ষোভ প্রকাশ করে গণমাধ্যমকে জানান, তিনি মাসে বেতন পান ১৫ হাজার টাকা। এই বেতনে সারা মাস চলতে এমনিতেই সমস্যা। এর বাইরে পরিবহন না পেয়ে রিক্সা বা উবারে বাড়তি খরচে যেতে হয়। এভাবে জীবন চালানো আরও অসম্ভব হয়ে দাঁড়াচ্ছে।