জাতীয়

মিয়ানমারের আর কোনো গোলা পড়বে না বাংলাদেশে

 ফাইল ছবি
ফাইল ছবি

বাংলাদেশ সীমানায় মিয়ানমারের আর কোনো গোলা পড়বেনা বলে নিশ্চয়তা দিয়েছে দেশটি। পাশাপাশি মিয়ানমারের কোনো নাগরিকও আর বাংলাদেশে ঢুকবে না বলে নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (১৪ সেপ্টেম্বর ) পররাষ্ট্রমন্ত্রনালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য দিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন ।

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৭৭তম অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার যোগ দেওয়া নিয়ে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

ড. মোমেন বলেন, মিয়ানমারে কিছুটা সংঘাত হচ্ছে। এটা জানার পর থেকে আমাদের দিক থেকে যেসব ব্যবস্থা নেওয়ার আমরা সেটা নিয়েছি। প্রথমত আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, কোনো রোহিঙ্গাকে বাংলাদেশে ঢুকতে দেব না। আমাদের বর্ডার পুলিশসহ অন্যান্য ফোর্সকে ইতোমধ্যে সতর্ক করে রেখেছি এবং তারা পুরোপুরি অ্যালার্ট।

মোমেন বলেন, আমরা মিয়ানমার সরকারকে বারবার অনুরোধ করেছি, তোমাদের গোলা যেন আমাদের দিকে না আসে। আমাদের এখানে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়। তারা (মিয়ানমার) বক্তব্য শুনেছে। আমরা তাদের সরকারকে জানিয়েছি এবং আমাদের বিশ্বাস… শুনেছি ওখানে (মিয়ানমার) আরাকান আর্মি এবং মিয়ানমার আর্মির মধ্যে সংঘাত হচ্ছে এবং এরা অনেকে বর্ডারের খুব কাছে থাকে। ফলে এদের আক্রমণ করতে গিয়ে মিয়ানমার আর্মির বুলেট আমাদের দিকে আসছে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, এ ব্যাপারে তাদের সতর্ক হওয়ার কথা জানিয়েছেন। তারা নিশ্চয়তা দিয়েছে।

মন্ত্রী আশা প্রকাশ করে বলেন, মিয়ানমার থেকে আর লোক আসবে ন। সিল করে দিয়েছেন বলে জানান তিনি।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমরা এ ব্যাপারে তাদের বলেছি, তোমরা এ ব্যাপারে সতর্ক হবে। তারা তাদের নিশ্চয়তা দিয়েছে। আমরা আশা করি মিয়ানমার থেকে আর লোক আসবে না, আমরা সিল করে দিয়েছি।

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৭৭তম অধিবেশনে রোহিঙ্গা সমস্যাসহ বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থ সম্পর্কিত বিষয়গুলো অগ্রাধিকার পাবে বলে জানিয়েছেন ড. এ কে আব্দুল মোমেন।

‘বর্তমানে বিশ্ব করোনা মহামারিসহ একটি বহুমাত্রিক সংকটময় পরিস্থিতি পার করছে। বহুমাত্রিক বিশ্ব সংকট মোকাবেলায় কার্যকর সমাধান খুঁজে বের করা একান্ত প্রয়োজন। এর প্রেক্ষিতে এ বছর সাধারণ বিতর্কের প্রতিপাদ্য হিসেবে ‘ওয়াটার সেট মুভমেন্ট ট্রান্সফরমাটিভ সলিউশন টু ইন্টারলগিং চ্যালেঞ্জেস’ এর ওপরই দৃষ্টি দেওয়া হয়েছে।’

তিনি বলেন, করোনা মহামারি ও বিশ্বে চলমান বিভিন্ন সংঘাতপূর্ণ পরিস্থিতির কারণে খাদ্য ও জ্বালানির সংকট তৈরি হয়েছে। জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির ফলে বিভিন্ন দেশে ব্যাপক মূল্যস্ফীতি হয়েছে। নতুন এই সংকটের ফলে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য মাত্রা অর্জনে বিশেষ করে উন্নয়নশীল দেশগুলোকে প্রতিকূলতার মুখোমুখি হতে হচ্ছে। এসব কারণে জাতিসংঘের এই সাধারণ অধিবেশনে করোনা মারামারি, জলবায়ু পরিবর্তন, রোহিঙ্গা সংকটের পাশাপাশি খাদ্য ও জ্বালানি নিরাপত্তা, বহুপাক্ষিকতাবাদ, টেকসই আবাসন, নিরাপদ এবং নির্ভরযোগ্য অন্তর্ভুক্তিমূলক ডিজিটাল অবকাঠামো গঠনের বিষয়সমূহ আলোচনা প্রাধান্য পাবে। বাংলাদেশ প্রতিনিধি দল গুরুত্বপূর্ণ এসব বিষয়ে বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থ সম্পর্কিত অগ্রাধিকার বিষয়গুলো তুলে ধরবে।

দেশটিভি/এসএফএইচ
দেশ-বিদেশের সকল তাৎক্ষণিক সংবাদ, দেশ টিভির জনপ্রিয় সব নাটক ও অনুষ্ঠান দেখতে, সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল:

এছাড়াও রয়েছে

সিলেটে ভোক্তা অধিদপ্তর ও সিসিএস-এর সচেতনতামূলক সভা

ট্রাফিক আইন মেনে চলার সংস্কৃতি গড়ে তুলুন: প্রধানমন্ত্রী

চোরাগলি দিয়ে সরকার উৎখাতের সুযোগ নেই: ওবায়দুল কাদের

এক বছরে সড়ক দুর্ঘটনা ৫৩৭১, মৃত্যু ৬২৮৪ জনের

খুলনায় দুই দিনের ‘পরিবহন ধর্মঘট’ চলছে

২৫ অক্টোবর আংশিক সূর্যগ্রহণ

ভোজ্যতেল নিয়ে বাণিজ্যমন্ত্রীর কড়া হুঁশিয়ারি

সুদানে জাতিগত সংঘর্ষ নিহত অন্তত ১৫০

সর্বশেষ খবর

স্টেট ব্যাংক অফ ইন্ডিয়ার নারী দিবস উদযাপন

শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ করলেন মোস্তাফিজুর রহমান

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘ইউল্যাব’ শিক্ষার্থীদের ফটোওয়াক

ভান্ডারিয়া ও মঠবাড়িয়ায় পৌর প্রশাসক নিয়োগ