বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে মাইন বিস্ফোরণে এক বাংলাদেশী কৃষক আহত হয়েছেন। শুক্রবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বাংলাদেশ-এ খবর পাওয়া গেছে। গরু চরাতে গিয়ে মাইন বিষ্ফোরণে আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শুক্রবার দুপুর দেড়টার দিকে ঘুমধুম ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের হেডম্যানপাড়া এলাকা বাসিন্দা মৃত অংকেথাইন তংচঙ্গ্যার ছেলে অন্য থাইং তংচঙ্গ্যা একটি সিএনজি যোগে হাসপতালে নিতে দেখেন স্থানীয়রা।
বিষটি নিশ্চিত করেছেন নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা নির্বাহী অফিসার সালমা ফেরদৌস।
এদিকে টানা চারদিন বন্ধ থাকার পর আবারো মিয়ানমার অভ্যান্তরে গুলাগুলি শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুর থেকে শুরু হয়ে বিকাল ৫টা পর্যন্ত চলে ভারী গুলাবর্ষণ। এরপর বিকাল থেকে বন্ধ থাকলেও শুক্রবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টার পর আবারো ব্যপক গুলির শব্দ ভেসে আসছে সীমান্তের এপারে। এই নিয়ে বাংলাদেশ সীমান্তের মানুষের মাঝে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।
সীমান্তবর্তী এলাকার লোকজন জানিয়েছেন, হালকা অস্ত্রের পাশাপাশি ভারী অস্ত্রের আওয়াজ হচ্ছে ওপারে। কারণ কিছুক্ষণ পর পর তাদের কাঁচা বাড়িঘরগুলো কেপে উঠছে।
এই প্রসঙ্গে সীমান্তবর্তী ইউনিয়ন ঘুমধুমের চেয়ারম্যান একেএম জাহাঙ্গীর আজিজ জানান, গত কয়েকদিন গুলির আওয়াজ না থাকায় সীমান্তের মানুষ শান্তিতে ছিল। কিন্তু শুক্রবার আবারো গুলির আওয়াজ ভেসে আসছে। এতে করে সীমান্ত ঘেষা গ্রামগুলোর মানুষের মাঝে আবারো আতংক বাড়ছে।
উল্লেখ্য, গত একমাসের অধিক সময় ধরে মিয়ানমারের স্বাধীনতাকামী আরাকান আর্মির সঙ্গে সেদেশের সেনাবাহিনীর মধ্যে উত্তেজনা, হামলা চলে আসছে। তাদের অভ্যন্তরীণ হামলায় ব্যবহৃত গুলা দুই দফায় এসে পড়ে বাংলাদেশ অভ্যান্তরে। এতে করে সীমান্তের মানুষের মাঝে আতংক বাড়ে। যারকারনে বেশ কিছুদিন ধরে সীমান্ত ঘেষা ধান ও বিভিন্ন ক্ষেত খামারে যেতে ভয় পাচ্ছিল স্থানীরা।