‘ব্লুর’ থ্রিডি প্রযুক্তির উদ্ভাবন করেছেন দূর শিখনে লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী দিনাজপুরের রনি—এ ধরনের আবিষ্কার শুধু বাংলাদেশেই নয়-এশিয়া মহাদেশে প্রথম।
এ প্রযুক্তির মাধ্যমে প্রয়োজনীয় সহায়ক যন্ত্র যেমন- চশমা, থ্রিডি টেলিভিশন ছাড়াই উপভোগ করা যাবে থ্রিডি ছবি।
আবিস্কারক ও বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধরনের আবিষ্কার শুধু বাংলাদেশেই নয়-এশিয়া মহাদেশে প্রথম।
নতুন এ প্রযুক্তিকে পরিপূর্ণ রূপ দিতে সরকারের পৃষ্ঠপোষকতার দাবি তাদের।
বিশ্বে এখন টুডির প্রযুক্তি শেষপর্যায়ে। টেলিভিশনের মধ্যেই সকলেই দেখতে চায় বাস্তবের মতো ছবি। আর এ ধরনের ছবি দেখার আগ্রহে এগিয়ে চলছে থ্রিডি প্রযুক্তি। বিশ্ব থ্রিডি জগতে পা রেখেছে অনেক আগেই। তবে থ্রিডি ছবি দেখতে ব্যবহার করতে হয় সহায়ক যন্ত্র যেমন থ্রিডি চশমা ও টেলিভিশন। শুধুমাত্র আমেরিকার উদ্ভাবিত নতুন এক প্রযুক্তির মাধ্যমে তৈরি করা থ্রিডি ছবিতে সহায়ক যন্ত্রের প্রয়োজন হয় না। যাকে প্রযুক্তির ভাষায় বলা হয় থ্রিডি ব্লুরে।
দূ্র শিখনে লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী দিনাজপুর শহরের বালুবাড়ী এলাকার ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের ছেলে মোকাররম হোসেন রনি উদ্ভাবন করেছে আমেরিকার ব্লুরের মতোই নতুন এক প্রযুক্তি। এতে থ্রিডি টেলিভিশন কিংবা থ্রিডি চশমার দরকার হবে না টুডি টেলিভিশনে দেখা যাবে থ্রিডি ছবি।
দেশের জন্য কিছু করার তাগিদেই তিনি এ প্রযুক্তির উদ্ভাবন করেছেন বাংলাদেশে বসেই বলে জানান রনি।
ডিজিটাল বিশ্বে অন্যান্য দেশ এগিয়ে থাকলেও বাংলাদেশও আর পিছিয়ে থাকবে না—বলেন থ্রিডি ছবির দেখার নতুন প্রযুক্তির বাংলাদেশি আবিস্কারক এ রনি।
বাংলাদেশকে বিশ্বের কাছে এগিয়ে নিতে সন্তানের এ ধরনের উদ্ভাবনে খুশি রনির বাবা ও মা— তাই সন্তান আরো এগিয়ে যাক এ কামনা তাদের।
ব্লুরে প্রযুক্তিতে করা ছবি দেখে দিনাজপুরের কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের প্রধান প্রশিক্ষক নিমাই কুমার দত্ত বলেন, উন্নত বিশ্বে এ ধরনের কাজ হয়ে থাকলেও বাংলাদেশে এ ধরনের কাজ প্রথম।