রবি-এয়ারটেল একীভূতকরণে সম্মতি মিলেছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের। ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী হিসেবে রোববার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ সংক্রান্ত নথিতে সই করেন। দুটি প্রতিষ্ঠান এক করে নতুন কোম্পানি গঠন করতে রবি আর এয়ারটেল এখন অপেক্ষা করছে আদালতের রায়ের। আদালত ৪ আগস্ট এ বিষয়ে শুনানির দিন ঠিক করেছে। আদালতের রায় পেলে রবি-এয়ারটেলের নতুন কোম্পানি গঠনের কাজ শুরু হবে এ মাসেই।
মালয়েশিয়া ভিত্তিক টেলিকম প্রতিষ্ঠান আজিয়াটা গ্রুপের মোবাইল অপারেটর রবি, এবং ভারতভিত্তিক ভারতী এয়ারটেলের একীভূত হওয়া এখন সময়ের ব্যাপার। রবি নামে নতুন কোম্পানি গঠনের প্রক্রিয়ায় ১৩ জুলাই অর্থমন্ত্রণালয়ের অনুমোদন পাওয়ার পর এবার অনুমোদন মিলেছে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকেও। এ ক্ষেত্রে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সুপারিশ অনুযায়ী ১০০ কোটি টাকা মাশুল এবং ৫০৭ কোটি টাকা তরঙ্গ একীভূতকরণ ফি, অপরিবর্তিত রেখেছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়।
নিয়ম অনুযায়ী চুড়ান্ত নিষ্পত্তির জন্য রবি ও এয়ারটেলকে এখন উচ্চ আদালতের ম্যাটার বেঞ্চে যেতে হবে। সেখানেই সমাধান হবে দুই প্রতিষ্ঠানের দেনা পাওয়ার বিষয়টির। ৪ আগস্ট এ বিষয়ে শুনানির তারিখ নির্ধারণ করেছে আদালত।
প্রতিষ্ঠান দুটি এক হলে প্রায় চার কোটি গ্রাহক নিয়ে রবি হবে দেশের ২য় বৃহত্তম মোবাইল ফোন অপারেটর। তবে একীভূত হওয়ার পরও ১ বছর, এয়ারটেল তার নিজস্ব নামেই চলবে।