আবু বকর সিদ্দিক অপহরণ মামলা তদন্তের দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি নেই আর পুলিশ অপহরণকারীদের হদিসই পাচ্ছে না। তারা এখনও খুঁজে পায়নি অপহরণে ব্যবহার করা নীল রংয়ের গাড়িটিও।
আবু বকরের দেয়া তথ্য নিয়ে ৫ সদস্যের গঠিত তদন্ত দল নতুন করে তৎপরতা শুরু করেছে।
অপহরণ ঘটনা তদন্তে প্রভাবশালী প্রতিষ্ঠানের সম্ভাব্য সংশ্লিষ্টতার বিষয়টির সঙ্গে রাজনৈতিক কোনো মহলের জড়িত থাকার সম্ভাবনাও বিবেচনায় নিয়ে কাজ করা উচিৎ বলে মনে করছেন সিদ্দিক ও রিজওয়ানা পরিবার।
কারা ও কেন আবুবকর সিদ্দিককে অপহরণ করেছিল? সে প্রশ্নের উত্তর খুজে পাচ্ছে না পুলিশ। যেখান থেকে তাকে অপহরণ করা হয় মুক্তি পাওয়ার পর সেই ভুঁই ঘরে দাঁড়িয়ে শনিবার আবারো ঘটনার বর্ণনা দেন আবু বকর।
তিনি বলেন, অপহরণকারীরা কোনো মুখোশ ব্যবহার করেনি। নিজেদের চেহারা আড়াল করার কোনো চেস্টাও করেনি। আবুবকর তাদের সংখ্যা ও শারীরিক গঠন এবং অপহরণের পর চোখ বাঁধা অবস্থায় ৩৫ ঘণ্টার অনুমান নির্ভর সকল তথ্য জানিয়েছেন পুলিশকে।
সিদ্দিকের দেয়া তথ্য নিয়ে সর্বোচ্চ গুরুত্বের সঙ্গে নতুনকরে তদন্তে নামে পুলিশ তবে এখনও কোনো অগ্রগতি নেই। অপহরণে ব্যবহৃত ১৪ সিটের নীল রঙয়ের গাড়িটির সন্ধানও পায়নি পুলিশ। আবু বকরের বর্ণনা অনুযায়ী অপহরণকারীদের কোনো স্কেচও করা হয়নি।
এদিকে, সিদ্দিক ও রিজওয়ানা পরিবারের নিরাপত্তা ব্যাপারে পুলিশ যথাযথ ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানালেও পরিবারটি এখনও আতঙ্কিত। তদন্তে কোনো অগ্রগতি না হলেও তারা আশা করছেন অপরাধীদের ধরতে সক্ষম হবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
তবে প্রভাবশালী মহলের ব্যাপারে বারবার সন্দেহের কথা বললেও অপহরণের পিছনে কোনো রাজনৈতিক শক্তির সম্পৃক্ততার বিষয়টিও উড়িয়ে দেয়া যায় না বলে জানালেন সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।