নারায়ণগঞ্জে সাত ৭ খুনের সঙ্গে র্যাবের সম্পৃক্ততার অভিযোগ তদন্তে প্রতিষ্ঠানটির গঠিত তদন্ত কমিটির অনুসন্ধানে দুদিনেও কোনো অগ্রগতি নেই। তবে খুব দ্রুত অগ্রগতি দৃশ্যমান হবে বলে দাবি করেছে র্যাব।
এদিকে, স্বরাস্ট্র প্রতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, আদালতের কাগজ হাতে পেলে নির্দেশনা অনুযায়ী কমিটি গঠন করে তদন্ত কাজ শুরু হবে।
নারায়ণগঞ্জের প্যানেল মেয়র নজরুল ইসলামকে অপহরণ করে হত্যা করতে র্যাব- ১১ এর সিও লেফটেন্যান্ট কর্নেল তারেক সাইদ মাহমুদ এবং দুই মেজর ছয় কোটি টাকা নিয়েছেন বলে রোববার গণমাধ্যমের সামনে অভিযোগ করেন নিহত নজরুলের শ্বশুর শহীদুল ইসলাম। সোমবার বিষয়টি তদন্তে কমিটি গঠন করে র্যাব। তদন্তের দ্বিতীয় দিনেও দৃশ্যত কোনো অগ্রগতি নেই।
তবে খুব দ্রুত অগ্রগতি দৃশ্যমান হবে বলে দাবি করেছে র্যাবের মিডিয়া উইংয়ের কর্মকর্তা এটিএম হাবিবুর রহমান।
তিনি বলেন, ‘এ তদন্ত কমিটি খতিয়ে দেখবে আসলে র্যা বের কোনো সদস্য এর সঙ্গে জড়িত আছে কিনা।’
র্যাবের এ কর্মকর্তা বলেন, অপহরণ-খুন পরবর্তী সাত দিনের ব্যবধানে র্যা বের বিরুদ্ধে করা অভিযোগ দুই রকম হওয়ায় তদন্তে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘গত ২৮ তারিখে সম্ভবত নজরুলের শ্বশুর শহীদুল ইসলাম বলেছিলেন যে, এখানে তিন কোটি টাকা লেনদেন হয়েছিল, নাম ধরে বলেছিল এ তিন কোটি টাকা কে কে পেয়েছিল? পরবর্তীতে ৭দিন অতিবাহিত হওয়ার পরও আমরা তার নতুন ভাষ্য পেয়েছি। এখানে টাকার অঙ্কটাও অন্যরকম এবং এতে জড়িত ব্যক্তিদের নামও অন্যরকম।’
কোনো এলাকায় অভিযান পরিচালনা করতে হলে ওই্ এলাকার থানার সঙ্গে র্যাবকে সমম্বয় করতে হবে-আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকের এ সিদ্ধান্তের বিষয়ে হাবিবুর রহমান জানান, তারা সংশ্লিষ্ট থানার সঙ্গে সমন্বয় করেই কাজ করছেন।
‘আইনশৃঙ্খলা বাহিনীগুলো সমন্বয়ের মাধ্যমে সবসময় কাজ করে এসেছে এবং এখনো সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজ করছে বলে জানান তিনি।’
এদিকে, সাত সদ্যসের কমিটি করে র্যা বের সম্পৃক্ততার অভিযোগসহ পুরো ঘটনা তদন্তের নিদের্শ দিয়েছে হাইকোর্ট।
এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল জানিয়েছেন, আদালতের কাগজ হাতে পেলে নির্দেশনা অনুযায়ী কমিটি করে কাজ শুরু করা হবে।