নারায়ণগঞ্জে সাত খুনের মামলার অন্যতম আসামি হাসমত আলী ওরফে হাসুকে মঙ্গলবার দিবাগত রাতে যশোরের সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান সাংবাদিকদের জানান, মঙ্গলবার দিবাগত রাতে যশোর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এরমধ্য দিয়ে সাত খুনের মামলায় এ প্রথম এজাহারভুক্ত কোনো আসামিকে গ্রেপ্তার করা হলো। নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশের একাধিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও সাত খুনের মামলা তদন্তে গঠিত জিজ্ঞাসাবাদ কমিটির আহ্বায়ক মো. জাকারিয়া কোনো মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানান। তবে বলেন, হাসুকে গ্রেপ্তারের কথা শুনেছেন তারা।
এ হত্যা মামলার ৩ নম্বর আসামি হাসমত আলীর বাড়ি সিদ্ধিরগঞ্জের মিজিমিজি পশ্চিমপাড়া। হত্যা মামলার ১ নম্বর আসামি কাউন্সিলর নূর হোসেনের অন্যতম কোষাধ্যক্ষ বলে তিনি পরিচিত। সিদ্ধিরগঞ্জে ফুটপাত ও পরিবহনের চাঁদাবাজিতে নূর হোসেনের অন্যতম সহযোগী এ হাসু।
গত ২৭ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জ আদালত থেকে লিংক রোড ধরে ঢাকায় যাওয়ার পথে অপহরণ হন সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর ও প্যানেল মেয়র নজরুল ইসলাম এবং তার চার সহযোগী। প্রায় একই সময়ে একই সড়ক থেকে গাড়িচালকসহ অপহূত হন আইনজীবী চন্দন সরকার। তিন দিন পর গত ৩০ এপ্রিল একে একে ছয়জনের এবং পরদিন ১ মে আরেকজনের লাশ শীতলক্ষ্যা নদী থেকে পাওয়া যায়।
তারপর নজরুল ইসলামের শ্বশুর শহীদুল ইসলাম ৪ মে র্যা বের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন।
তিনি বলেন, নজরুলকে র্যা ব তুলে নিয়ে হত্যা করেছে। এ জন্য আরেক কাউন্সিলর নূর হোসেনসহ কয়েকজনের কাছ থেকে ছয় কোটি টাকা নিয়েছেন র্যাবের কয়েকজন কর্মকর্তা।