নারায়ণগঞ্জে সাত খুনের ঘটনার সময়ের জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের কাছে মামলার প্রধান আসামি নুর হোসেন ও তার সহযোগীদের ১১টি অস্ত্রের লাইসেন্স দেওয়ার প্রক্রিয়া এবং হত্যা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার না করার কারণ জানতে চেয়েছে প্রশাসনিক তদন্ত কমিটি। রোববার সচিবালয়ে সাবেক ডিসি মনোজকান্তি বড়াল ও এসপি নূরুল ইসলামকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
তারা গণমাধ্যমের কাছে মুখ না খুললেও তদন্ত কমিটি জানিয়েছে, প্রয়োজনীয় তথ্য পাওয়া গেছে তাদের কাছ থেকে। এছাড়া, সাংসদ শামীম ওসমানকেও জিজ্ঞাসাবাদ করবে কমিটি। তবে এখনো দিনক্ষণ ঠিক হয়নি।
নারায়ণগঞ্জে সাত খুনের ঘটনায় প্রশাসনিক তদন্ত কমিটির তলবে সাবেক পুলিশ সুপার নূরুল ইসলাম সচিবালয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব শাহজাহান আলী মোল্লার অফিসে আসেন। ৪ ঘণ্টার জিজ্ঞাসাবাদে শেষে সাবেক পুলিশ সুপার গণ মাধ্যমের কাছে মুখ না খুললেও, তদন্ত কমিটির সুত্রে জানা গেছে-হত্যা মামলা হওয়ার পরও কেন নূর হোসেনকে আটক করা হয়নি আর মাদকসহ বালু মহাল দখল করে নূর হোসেনের অবৈধ ব্যবসার পরও কেন ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি, তা জানতে চাওয়া হয়েছে।
বেলা ৩টা থেকে সাড়ে ৪টা পর্যন্ত সাবেক জেলা প্রশাসক মনোজকান্তি বড়ালকে জেরা করে তদন্ত কমিটি। তার কাছে জানতে চায় ১১টি অস্ত্রের লাইসেন্স নূর হোসেনকে দেয়া হয়েছে কিসের ভিত্তিতে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে জেলা প্রশাসকও কোন মন্তব্য করেননি।
পরে তদন্ত কমিটি জানায়,তদন্তের কাজে লাগার মতো প্রয়োজনীয় তথ্য তাদের কাছ থেকে পাওয়া গেছে।
এক প্রশ্নের জবাবে কমিটির সদস্যরা আরো বলেন, তদন্তের প্রয়োজনে স্থানীয় সাংসদ শামীম ওসমানকেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে।
তদন্তের অগ্রগতির প্রতিবেদন আগামী সপ্তাহে আদালতে দাখিল করা হবে। সোমবার আবার নারায়ণগঞ্জে গণশুনানি করবে তদন্ত কমিটি।