নারায়ণগঞ্জে প্যানেল মেয়র নজরুল ইসলামসহ সাত জনকে অপহরণের পর নির্যাতন করে হত্যা করা হয়েছিলো শহরের পুরনো জেলখানায় অবস্থিত র্যা বের এক নম্বর কোম্পানির কার্যালয়ে। ওই কোম্পানির কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী র্যা বের সাবেক কর্মকর্তা এমএম রানার রিমান্ড আবেদনে এমন তথ্য দিয়েছেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মামুনুর রশিদ।
এ ব্যাপারে জেলা পুলিশ সুপার কোনো মন্তব্য না করলেও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার দেশ টিভিকে বলেন, সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা প্রাথমিক তথ্য যা জেনেছেন তাই আবেদনে উল্লেখ করেছেন।
নারায়ণগঞ্জের কাউন্সিলর নজরুল ইসলাম ও অ্যাডভোকেট চন্দন সরকারসহ সাত জনকে অপহরণ করে নেয়া হয় শহরের শায়েস্তাগঞ্জ রোডে পুরনো জেলখানায় অবস্থিত র্যা ব-১১ এর এক নম্বর কোম্পানী কার্যালয়ে। এখানেই ওই সাত জনকে নির্যাতন করে হত্যা করা হয়।
এ কোম্পানির কমান্ডার র্যা বের সাবেক কর্মকর্তা এমএম রানাকে ২য় দফায় রিমান্ডে নেয়ার আবেদনে রোববার আদালতকে এসব তথ্য জানিয়েছেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা।
এ ব্যাপারে পুলিশ সুপারকে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজী হননি। তবে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জানিয়েছেন, তদন্ত কর্মকর্তা যা দরকার মনে করেছেন তাই করেছেন। তবে এটাই চুড়ান্ত নয়।
এদিকে, ২য় দফায় রিমান্ডে থাকা পুলিশ লাইনে অবস্থানকারী সাবেক তিন কর্মকর্তাকে এতোদিন ঘুমানোর জন্য যে সব আসবাব সামগ্রী দেয়া হচ্ছিলো তাও প্রত্যাহার করা হয়েছে বলে জানা গেছে।