শিশু পর্নোগ্রাফি নির্মাণে আন্তর্জাতিক চক্রের সদস্য হিসেবে কাজ করতেন লেখক টিপু কিবরিয়া। বাড়তি অর্থ উপার্জনের লোভেই তিনি এ ঘৃণ্য অপরাধে যুক্ত হয়েছেন বলে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ- সিআইডির জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছেন তিনি।
সিআইডি বলছে, পর্নো ছবির সংগ্রাহক এক জার্মান ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার হওয়ার পর ইন্টারপোল জানতে পারে ছবি গুলো বাংলাদেশে তৈরি হয়। তাদের দেয়া তথ্যের সুত্র ধরেই প্রায় এক বছরের চেষ্টায় সম্প্রতি গ্রেপ্তার করা হয় টিপু কিবরিয়াকে। পুলিশ এখন এই চক্রের অন্য সদস্যের ধরার অভিযানে নেমেছে।
টিপু কিবরিয়ার বাইরের পরিচয় তিনি দেশের একটি খ্যাতনামা প্রকাশনা সংস্থার কিশোর থ্রিলার ও হরর সিরিজের লেখক। এছাড়া তার বেশ কিছু শিশুতোষ গল্প উপন্যাসের বইও রয়েছে। কিন্তু সব কিছু ছাপিয়ে এখন তার অন্ধকার জগতের পরিচয়ই সামনে চলে এসেছে। তিনি এখন আন্তর্জাতিক পর্নোগ্রাফি নির্মাণ চক্রের সদস্য।
ইন্টারপোলের কাছ থেকে তথ্য পেয়ে গত সোমবার ২ সহযোগীসহ তাকে গ্রেপ্তার করে সিআইডি। বর্তমানে রিমান্ডে থাকা টিপু স্বীকার করেন যে এক জার্মান ব্যবসায়ীর মাধ্যমে সে এ অন্ধকার জগতে প্রবেশ করে।
ছেলে শিশুদের দিয়ে পর্নো ছবি তৈরির ব্যবসা শুরু করে— জানান সিআইডির অতিরিক্ত ডিআইজি আবদুস সালাম।
পরে এসব ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে পাঠিয়ে টিপু প্রচুর টাকা আয় করেছে— ওইসবের তথ্য প্রমাণ এখন সিআইডির হাতে রয়েছে বলে জানান তিনি।
আবদুস সালাম জানান, এ চক্রের অন্য সদস্যদেরও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালানো হচ্ছে।