মিথ্যা তথ্য দিয়ে মুক্তিযোদ্ধা সনদগ্রহণ এবং পেশাগত অসদাচরণের দায়ে ৫ সচিবের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে দুদকের সুপারিশ সংবলিত চিঠি এখনো হাতে পায়নি জনপ্রশাসন ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
তবে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ,ক,ম মোজাম্মেল হক আশ্বাস দিয়েছেন, দোষী যেই হোক আর যতো ক্ষমতাবানই হোন তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।
কিন্তু কোনো মন্ত্রণালয়ই চিঠি পায়নি এখনো। তবে চিঠি পাওয়ার পর দোষীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী।
ভুয়া সনদ দেয়ার সঙ্গে যারা জড়িত তাদের বিরুদ্ধেও পরবর্তীতে ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দেন মন্ত্রী।
আওয়ামী লীগ সরকারের গত আমলে মুক্তিযোদ্ধা সনদ নেয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়। নিয়মানুযায়ী চাকরির শুরুতে মুক্তিযোদ্ধা প্রমাণের কথা থাকলেও চাকরির শেষ দিকে সনদ নেন অনেকে। সরকারের ৫ সচিবও এ সনদ নেন।
ব্যাপারটি নিয়ে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় তদন্তের জন্য এ বছরের শুরুতে দুদকের দ্বারস্থ হয়। ৬ মাসের অনুসন্ধানে প্রাপ্ত তথ্য প্রমাণ এবং তদন্ত কর্মকর্তার প্রতিবেদনের ভিত্তিতে দুদক প্রমাণ পায়, ওই ৫ সচিব মিথ্যা তথ্য দিয়ে মুক্তিযোদ্ধা সনদগ্রহণ করেছেন এবং একইভাবে চাকরির মেয়াদ বাড়ানোর প্রক্রিয়া শুরু করেছিলেন।
এক্ষেত্রে, পেশাগত অসদাচরণের দায়ে তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নিতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে সুপারিশ করেছে দুদক। একইসঙ্গে তাদের সনদ ও গেজেট বাতিল করতে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়কে সুপারিশ করেছে দুদক। এ সংক্রান্ত চিঠিও সোমবার ওই দুই মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।