ইরাক ও সিরিয়ার অংশবিশেষ দখল করে নেয়া জঙ্গি সংগঠন ইসলামিক স্টেটের (আইএসআইএস) সঙ্গে নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন জামায়াতুল মুজাহিদিনের (জেএমবি) সদস্যদের যোগাযোগ রয়েছে বলে দাবি করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিএমপি)।
শুক্রবার ডিএমপি কার্যালয়ের মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে যুগ্ম পুলিশ কমিশনার মনিরুল ইসলাম এ কথা বলেন।
মনিরুল ইসলাম বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃত জেএমবি সদস্যরা রাষ্ট্রের ভিভিআইপি, ভিআইপিসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলার পরিকল্পনা করছিল বলে স্বীকার করেছে। এছাড়া, গ্রেপ্তারকৃতরা এরইমধ্যে কয়েকটি হামলার পরিকল্পনা করে ব্যর্থ হয়েছে। তারা মধ্যপ্রাচ্যে আইএসআইএসের সঙ্গে ইসলামিক স্টেট প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে যোগাযোগ স্থাপন করেছে। মাওলানা সাইদুর রহমানের অবর্তমানে দলনেতা হিসেবে তাসনীম এ বিষয়ে যোগাযোগ রক্ষা করেন।
তিনি আরো বলেন, গ্রেপ্তারকৃতদের কাছ থেকে আনুমানিক ১০ কেজি জেল মিশ্রিত রাসায়নিক পদার্থ, ৪টি পিতলের মূর্তি, উগ্র জঙ্গি তৎপরতায় উৎসাহী করে তোলার মতো কিছু বই ও লিফলেট উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত জেল বিস্ফোরক তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। পিতলের মূর্তির গুড়োও ব্যবহৃত হয় একই কাজে।
প্রসঙ্গত, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ ও পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের এলআইসি শাখার অভিযানে বৃহস্পতিবার তুরাগ থানাধীন আশুলিয়া ল্যান্ডিং স্টেশন পার্কি থেকে জেএমবির একাংশের ভারপ্রাপ্ত আমির আব্দুল্লাহ আল তাসনীম ওরফে নাহিদ, সক্রিয় সদস্য মো. নাঈম আলী, মো. সিকান্দার আলী ওরফে নকি, মাহমুদ ইবনে বাশার, মোঃ মাসুম বিল্লাহ, ফুয়াদ হাসান ও আলী আহম্মদকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে।