নারায়ণগঞ্জের আলোচিত সাত খুনের ঘটনা সম্পর্কে র্যাপিড আ্যকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) সদরদপ্তর আগে থেকে কিছু জানতো না বলে দাবি করেছেন প্রতিষ্ঠানের মহাপরিচালক মোখলেসুর রহমান। রোববার সদরদপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
র্যাবের মহাপরিচালক সাত খুনের বিষয়ে দাবি করেন, ঘটনা জানার পরপরই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সব জানানোন হয়েছে। কোনো কিছুই গোপন করা হয়নি। সঠিক তথ্য জেনে সত্য উদঘাটনে সহায়তা করা হয়েছে।
ঘটনার জন্য পুরো বাহিনীকে দোষারোপ না করে অপরাধীদের বিষয়ে লেখালেখি করতে গণমাধ্যমের প্রতি আহ্বান জানান র্যা বের মহাপরিচালক। তার মতে, প্রতিষ্ঠান হিসেবে র্যাব ক্ষতিগ্রস্ত হলে দেশের মানুষই ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
র্যাব মহাপরিচালক মোখলেসুর রহমান দৃঢ়তার সঙ্গে দাবি করেন, 'নারায়ণগঞ্জের সাত খুনের ঘটনা সম্পর্কে আগে থেকে র্যাব সদরদপ্তর অবহিত ছিল না।'
তিনি বলেন, ‘ঘটনা জানার পর বরং র্যাব নিজেরাই তদন্ত শুরু করে এবং জড়িতদের সম্পর্কে কর্তৃপক্ষকে অবহিত করে।’
মোখলেসুর রহমান আরো বলেন, ‘র্যাবের কোনো সদস্য অপরাধে জড়িয়ে পড়লে র্যাব তার দায়মুক্তি চায় না। অতীতে কোন র্যাব সদস্যের দায়মুক্তি চাওয়া হয়নি, সরকারের পক্ষ থেকে কাউকে দায়মুক্তি দেয়াও হয়নি।’
উল্লেখ্য, নারায়ণগঞ্জের কাউন্সিলর নজরুল ইসলাম ও সিনিয়র আইনজীবী চন্দন সরকারসহ সাত জনকে অপহরণের পর হত্যা করে শীতলক্ষ্যা নদীতে লাশ ডুবিয়ে দেয়া হয়। ঘটনার সঙ্গে নারায়ণগঞ্জ র্যাবের শীর্ষ কয়েকজন কর্মকর্তার জড়িত থাকার অভিযোগ ওঠে।
বিভিন্ন সময়ে পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদে বলা হয়েছে, সাত খুনের নির্দেশনা দেয়া হয়েছিল র্যাব সদরদপ্তর থেকেই তার পরিপ্রেক্ষিতে এ সংবাদ সম্মেলন করা হয়।