বাংলাদেশে জঙ্গিরা ‘জিহাদি গ্রুপ’ নামে যে নতুন জোটে সংঘবদ্ধ হয়েছে এর সঙ্গে তৎপরতা রয়েছে ভারতের জঙ্গি সংগঠন ‘ইন্ডিয়ান মুজাহিদিন’ ও ‘লস্কর-ই-তৈয়বা’র। আন্তঃদেশিয় জঙ্গি তৎপরতার অংশ হিসেবে পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমানে বোমা বিস্ফোরণের ঘটনাতেও বাংলাদেশ-পালানো জেএমবি সদস্যরা অংশ নেয়। সম্প্রতি গ্রেপ্তার হরকাতুল জিহাদের চার জঙ্গি গোয়েন্দাদের কাছে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে এসব তথ্য দিয়েছে।
নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এ তৎপরতা বন্ধ করতে মাঠ পর্যায়ে যৌথ টাস্ক ফোর্স গঠন করা জরুরি।
হরকাতুল জিহাদের ৪ সদস্য রফিক, উমর, নাদিম ও সুমনকে সম্প্রতি ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জে অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা পুলিশ। হুজি-বি'র অপারেশন উইং নেতা রফিক ও বোমা বিশেষজ্ঞ উমর গোয়েন্দাদের কাছে স্বীকার করেছে, ভারত ও বাংলাদেশ মিলিয়ে তৎপরতা চালাচ্ছিলো তারা। ভারতের পশ্চিমবঙ্গে নিরাপদ আশ্রয় রয়েছে বলেও দাবি তাদের।
‘ইসলামি হুকুমাত’ কায়েমের লক্ষ্যে আন্তঃদেশিয় নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার চেষ্টায় আই এস-এর সঙ্গেও যোগাযোগের চেষ্টাও করছিলো তারা।
এদিকে, ভারতের বর্ধমানে বোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় বাংলাদেশের পলাতক জেএমবি সদস্যদের পাশাপাশি লস্কর ই তৈয়বার যোগসাঁজশেরও প্রমাণ পেয়েছে ভারতের গোয়েন্দারা। ভারতীয় গণমাধ্যমে এমন সংবাদ প্রকাশ এবং দেশে জঙ্গি নেটওয়ার্কে নতুন জোট গঠনের খবরে উদ্বিগ্ন নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা।
এ অপতৎপরতা বন্ধে দুই দেশের মাঠ পর্যায়ের আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয়ে টাস্ক ফোর্স গঠনের ওপর জোর দিলেন তারা।