অবরোধ-হরতালে নাশকতার কারণে যে ধরনের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছিল— সেই পরিস্থিতি প্রত্যাশার চেয়েও বেশি উন্নত হয়েছে বলে দাবি করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের-ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া।
বুধবার দুপুরে ঢাকা মহানগর পুলিশের জনসংযোগ বিভাগে নাশকতাকারীদের হাতেনাতে ধরিয়ে দিতে সহযোগিতাকারীদের পুরস্কার প্রদান উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
এ সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ডিএমপি কমিশনার বলেন, ক্রসফায়ারের মতো ঘটনা এমনি এমনি ঘটে না, পরিবেশ পরিস্থিতির কারণেই এ ধরনের ঘটনা ঘটে।
ডিএমপি কমিশনার বলেন, অবরোধ-হরতালে নাশকতা অনেকটাই কমিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে।
এসময় ক্রসফায়ার প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ডিএমপি কমিশনার জানান, পরিবেশ-পরিস্থিতির কারণেই এ ধরনের ঘটনা ঘটে।
তিনি বলেন, ককটেল-পেট্রোলবোমা ছোড়ার সময় হাতেনাতে ধরা পড়েছে ১৮৬ জন। যার মধ্যে ১০২জন বিএনপি ও ৮৪ জন জামাত-শিবিরের কর্মী। এছাড়া অভিযান চালিয়ে ১০১০ জনকে আটক করেছে পুলিশ।
পরে রাজধানীতে গত ৭ ও ৯ ফেব্রুয়ারি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটানোর সময় নাশকতাকারীদের হাতেনাতে ধরে পুলিশে সোপর্দ করায় একজন রিকসাচালক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩ শিক্ষার্থীকে অর্থ পুরস্কার দেয়া হয়। পুরস্কার প্রাপ্তদের তিন জনই ছাত্রলীগ কর্মী—
বোমাবাজদের ধরিয়ে দিতে সহায়তাকারী ব্যক্তিদের অর্থ পুরস্কার দিতে মহানগর পুলিশের জনসংযোগ বিভাগে দুপুরে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। গত ৭ ও ৯ ফেব্রুয়ারি রাজধানীতে ককটেল নিক্ষেপের সময় নাশকতাকারীদের হাতেনাতে ধরে পুলিশে সোপর্দ করায়, চার জনকে পুরস্কার দেয়া হয়।
তারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু হল ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ইয়াজ আল রিয়াদ, জহুরুল হক হল ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আল নাহিয়ান খান, এ এফ রহমান হল ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমিন ও রিকসাচালক মোজাম্মেল হোসেনকে পুরস্কার দেয়া হয়। এছাড়া এক ব্যক্তি নিজ উদ্যোগে রিকসাচালককে ৫০ হাজার টাকা অর্থ পুরস্কার দেন।