রাজধানীর মতিঝিলে শিমু আক্তার সুমি নামের এক তরুণীর খণ্ড-বিখণ্ড মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় জড়িত ছয় জনকে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ।
সোমবার মতিঝিলের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ডিএমপির গণমাধ্যম বিভাগে সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান মুখপাত্র মনিরুল ইসলাম।
গ্রেপ্তার হওয়া আসামিদের মধ্যে চারজন এরইমধ্যে হত্যাকাণ্ডে সম্পৃক্তার কথা জানিয়ে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে।
এ ঘটনায় আরেক আসামি মোবারক উল্লাহ মন্টি গ্রেপ্তারের পর গতকাল রাতে শাহজাহানপুরে র্যা বের সঙ্গে কথিত বন্দুক যুদ্ধে নিহত হয়েছেন।
গত ১০ মার্চ ফকিরাপুলের কালভার্ট রোডের গরম পানির গলিতে একটি টিনশেড বাড়ির চালে ও আশপাশে এক তরুণীর খণ্ড-বিখণ্ড মরদেহ ছড়ানো ছিটানো অবস্থায় পাওয়া যায়।
পরে লাশের ময়নাতদন্ত করে ও স্বজনদের সনাক্ত করার ভিত্তিতে পুলিশ নিশ্চিত হয়। নিহত সুমি ওই এলাকার মাদক বিক্রেতা নাসিরের স্ত্রী। র্যা ব ও পুলিশের সোর্স হিসেবেও কাজ করত সে। পরে পুলিশ বাদি হয়ে মতিঝিল থানায় একটি হত্যা মামলা করে।
রোববার মতিঝিলের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে হত্যাকাণ্ডে সরাসরি জড়িত ছয়জনকে গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা পুলিশ।
মাদক ব্যবসা নিয়ে বিরোধের জেরেই সুমিকে হত্যা করা হয় বলে জানান মনিরুল ইসলাম।
এর আগে শনিবার এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত জাহাঙ্গীর হোসেন সোহেল ওরফে বাংলা সোহেলকে গ্রেপ্তার করে র্যা ব-৩। আরেক আসামি মোবারক উল্লাহ মন্টিও রোববার র্যা বের হাতে গ্রেপ্তার হয়। রাতেই শাহজাহানপুরে র্যা বের সঙ্গে কথিত বন্দুক যুদ্ধে সে নিহত হয়েছেন।