অপরাধীর শাস্তি না হওয়ার সংস্কৃতিই সমাজে নানামুখী অপরাধের জন্ম দিচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা— অপরাধ দমনে অনেকাংশে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ব্যর্থতাকেও দায়ী করা হয় সেমিনারে।
বৃহস্পতিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে "অপরাধ ও সহিংসতার পরিবর্তিত রূপ: বাংলাদেশে অপরাধ বিজ্ঞানের ভূমিকা" শীর্ষক এক গোলটেবিল বৈঠকের আয়োজন করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রিমিনোলজি বিভাগ।
অপরাধ বিষয়ক এক গোলটেবিল বৈঠকে এসব বিষয় উঠে এসেছে।
আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীগুলোকে আরো সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে— আর সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টা ছাড়া অপরাধ দমন সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
এতে নিরাপত্তা বিশ্লেষক ও সাংবাদিকরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমালোচনা করে বলেন, আপরাধ দমনে যতটুকু সক্ষমতা রয়েছে তাও যথাযথভাবে কাজে লাগাতে ব্যর্থ তারা।
অপরাধ শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনা কখনই সম্ভব নয় উল্লেখ করে সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা ও নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ নুরুল হুদা বলেন, সবাই সমন্বিতভাবে কাজ করলে অপরাধ দমন না হলেও নিয়ন্ত্রণ অসম্ভব নয়।
অপরাধ দমনে ও অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে নিজেদের সীমাবদ্ধতার কথাও তুলে ধরেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র মনিরুল ইসলাম।
সেমিনারে অংশ নেন পুলিশ, র্যাব, বিজিবি, কোস্টগার্ড, জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা-ডিজিএফআই, এনএসআই, পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ-সিআইডি'র কর্মকর্তাসহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, সমাজ বিশ্লেষক, সাংবাদিক, মানবাধিকার কর্মী ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ।