রাজধানী উত্তরায় মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে গারো তরুণীকে গণধর্ষণের ঘটনার দুই পরিকল্পনাকারীকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন- র্যাব। মঙ্গলবার রাতে ঢাকা ও পটুয়াখালী থেকে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়।
তারা হল: আশরাফ ওরফে তুষার এবং লাভলু। তাদের মধ্যে লাভলু ঘটনার সময় মাইক্রোবাস চালাচ্ছিলেন।
বুধবার রাজধানীর র্যাব হেড কোয়াটার্সে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক মুফতি মাহমুদ হাসান
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছে তারাই ধর্ষণের ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারী। মেয়েটিকে জোর করে গাড়িতে তুলে নেয়ার পর তারাও ধর্ষণে অংশ নেয় বলে জানান তিনি।
র্যাবের উপ পরিচালক রুম্মান মাহমুদ জানান, লাভলুকে গ্রেপ্তার করা হয় মঙ্গলবার রাতে, ঢাকার গুলশান-১ এলাকা থেকে। আর তুষারকে ধরা হয়েছে পটুয়াখালী কলাপাড়া থেকে।
যমুনা ফিউচার পার্কের একটি দোকানের বিক্রয়কর্মী ২১ বছর বয়সী এই তরুণী গত বৃহস্পতিবার রাতে কুড়িলে বাসের জন্য অপেক্ষা করছিলেন। তখন একদল যুবক তাকে একটি মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে দল বেঁধে ধর্ষণ করে।
পরদিন ধর্ষণের শিকার ওই তরুণীকে নিয়ে ভাটারা থানায় মামলা করে তার পরিবার। এজাহারে বলা হয় চলন্ত মাইক্রোবাসে পাঁচ জন মিলে প্রায় দেড় ঘণ্টা ধরে তাকে ধর্ষণ করা হয়। পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ডাক্তারি পরীক্ষার ধর্ষণের প্রমাণ পাওয়া যায়।
ওই ঘটনার পর মামলা নিতে অবহেলার অভিযোগ ওঠে পুলিশের বিরুদ্ধে। পাঁচ মানবাধিকার সংগঠনের রিট আবেদনে হাইকোর্ট তিনটি রুল জারি করে।
মামলা নিতে বিলম্ব কেন ‘অসাংবিধানিক’ ঘোষণা করা হবে না, অবহেলার জন্য দায়ী পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে কেন ব্যবস্থা নেয়া হবে না এবং ধর্ষিতাকে কেন ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে না- তা জানতে চাওয়া হয় রুলে।