পুলিশের দুর্বল চার্জশিট, সাক্ষির অভাব ও প্রভাবশালী পাচারকরীদের সঙ্গে দুর্বল বাদী পক্ষ শেষ পর্যন্ত পেরে না ওঠায় যশোরের মানবপাচারের সঙ্গে জড়িতদের সাজা দেয়া সম্ভব হচ্ছে না।
জেলায় মানবপাচার বিরোধী একটি ট্রাইব্যুনাল গঠন হলেও এ পর্যন্ত কারো সাজা হয়নি। ৮৬টি মামলার রায়ে সব আসামিই বেকসুর খালাস পেয়েছেন। এ অবস্থায় মানবপাচার রোধে দুর্বল তৎপরতায় হতাশ বিভিন্ন ব্যক্তি ও সংগঠনের কর্মকর্তারা।
২০১২ সালে দেশে মানবপাচার প্রতিরোধে ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়। এর পর যশোরেও শুরু হয় এ আদালতের কার্যক্রম। সেই থেকে এ আদালতে মামলা হয়েছে ৩৭২টি। যার মধ্যে রায় হয়েছে ৮৬টির।
তবে সাক্ষি প্রমাণের অভাবে এসব মামলায় কোনো আসামীর বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমান করে সাজা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।
ভুক্তভোগিদের অভিযোগ, মানবপাচারের সঙ্গে জড়িত প্রভাশালী ব্যক্তিদের পক্ষ থেকে নানা ধরনের হুমকি দেওয়া হচ্ছে।
এদিকে, মানবপাচার কারীরা যাতে আর পার পেতে না পারে সে ব্যাপারে পুলিশও যথাযথ পদক্ষেপ নেবে বলে জানান জেলার পুলিশ সুপার আনিসুর রহমান।