পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে রাজধানীর নিউ ইস্কাটনে জোড়া খুনের মামলায় সাংসদপুত্র বখতিয়ার আলম রনি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে অস্বীকৃতি জানাচ্ছে–এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের -ডিএমপির মুখপাত্র মনিরুল ইসলাম।
বুধবার ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত একপ্রেস ব্রিফিংয়ে এ কথা জানান তিনি।
মনিরুল ইসলাম বলেন, রনির পিস্তলের গুলিতেই দুইজন নিহত হয়েছেন।
প্রত্যক্ষদর্শীদের সাক্ষ্য ও পুলিশ তদন্তে রনির পিস্তলের গুলিতেই ওই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হওয়ার ব্যাপারে পুলিশের কাছে পর্যাপ্ত সাক্ষ্যপ্রমাণ রয়েছে—এ কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, আদালতে তা প্রমাণে তাদের কোনো সমস্যা হবে না।
এদিকে, মঙ্গলবার সাংসদপুত্রকে তৃতীয় দফায় ২ দিনের রিমান্ডে নেয় পুলিশ।
গত ২৮ জুন সকালে দ্বিতীয় দফায় রিমান্ড শেষে রনিকে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল হকের আদালতে হাজির করে ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। রনিকে জিজ্ঞাসাবাদে আরো সাত দিনের রিমান্ডে নিতে আদালতে আবেদন করে পুলিশ।
ওইদিন আদালতে মামলার প্রয়োজনীয় কাগজপত্র উপস্থাপন না করতে পারায় মঙ্গলবার রিমান্ড শুনানির দিন ঠিক করে। একই সঙ্গে মামলার তদন্ত কর্মকর্তাকে শুনানির দিনে মামলার প্রয়োজনীয় কাগজপত্র (সিডি) উপস্থাপন করারও নির্দেশ দেয় আদালত।
এর আগে ২৪ জুন রনিকে দ্বিতীয় দফায় চার দিন ও ৯ জুন প্রথম দফায় চার দিনের রিমান্ডে নেয় পুলিশ।
পুলিশ ও আদালতের কাছে তিন জনের দেয়া জবানবন্দি থেকে জানা গেছে, চলতি বছরের ১৩ এপ্রিল গভীর রাতে নিউ ইস্কাটন রোডে প্রাডো গাড়ি থেকে নেশাগ্রস্ত অবস্থায় বখতিয়ার এলোপাতাড়ি গুলি ছুড়লে রিকশাচালক আবদুল হাকিম ও দৈনিক জনকণ্ঠ পত্রিকার অটোরিকশাচালক ইয়াকুব আলী আহত হন।
ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৫ এপ্রিল হাকিম এবং ২৩ এপ্রিল ইয়াকুব মারা যান। এ ঘটনায় ১৫ এপ্রিল রাতে রমনা থানায় মামলা করেন হাকিমের মা মনোয়ারা বেগম। ওই ঘটনার ৩১ মে বখতিয়ার ও তার গাড়িচালক ইমরান ফকিরকে গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশ।
প্রসঙ্গত: সাংসদ ও মহিলা আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক পিনু খানের ছেলে রনি