চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে ভোজ্যতেলের সঙ্গে আমদানি করা কোকেনের আলামত সংগ্রহ ও তেলের ড্রাম ও অন্যান্য মালামাল জব্দ করেছে তদন্ত সংশ্লিষ্টরা বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের (সিএমপি) উপ কমিশনার কুসুম দেওয়ান। তেলে থাকা কোকেনের পরিমাণ খুব শীঘ্রই জানাতে পারবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি।
এদিকে, কোকেন পাচারের বিষয়টি তদন্ত করতে চট্টগ্রাম পুলিশ ১০ সদস্যের একটি কমিটিও গঠন করা হয়েছে। এ পর্যন্ত চট্টগ্রাম থেকে ১ জন ও ঢাকা থেকে ৩ জনসহ মোট ৪ জনকে আটকে করেছে পুলিশ।
উপ কমিশনার বলেন, গত সোমবার এ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আলামত সংগ্রহ ও জব্দ করতে বন্দরে গেলেও শেষ পর্যন্ত তা জব্দ করতে পারেনি। পরে, তিনি আদালতে অভিযোগ করেন- কাস্টমস ও বন্দর কর্মকর্তাদের অসহযোগীতার কারণে আলামত সংগ্রহ ও মালামাল জব্দ সম্ভব হয়নি।
মঙ্গলবার এরই পরিপ্রেক্ষিতে আদালত এক নির্দেশে কাস্টমস ও বন্দর কর্মকর্তা ও মাদ্রকদ্রব্য অধিদপ্তররে কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে আলামত সংগ্রহ ও মালামাল জব্দ করতে বলেন তিনি। এ নির্দেশ অনুযায়ি ওই দিনই চট্টগ্রাম বন্দরে থাকা ১০৭টি তেলের ড্রাম জব্দ করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা।
সংগ্রহ করা নমুনা তিনটি পৃথক ল্যাবে পাঠিয়ে পুনরায় পরীক্ষা করা হবে— উল্লেখ করে সিএমপির উপ-কমিশনার তানভীর আরাফাত বলেন, খুব শিগগিরই কোকেনের পরিমাণ বের করা সম্ভব হবে।
চট্টগ্রাম বন্দরে কোকেন সন্দেহে গত ৬ জুন রাতে একটি কনটেইনার সিলগালা করে শুল্ক গোয়েন্দা কর্মকর্তারা। ৮ জুন ঢাকায় উন্নত ল্যাবে পরীক্ষায় ভোজ্য তেলে কোকেন সনাক্ত করা হয়। তবে এ ভোজ্যতেলে ঠিক কি পরিমাণ কোকেন মেশানো হয়েছে তা এখনো জানা যায়নি।