চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে তরল কোকেন আমাদানির ঘটনায় এশিয়া ও ইউরোপের কয়েকটি দেশের মাদক পাচার চক্র সম্পৃক্ত থাকতে পারে এমন তথ্য পেয়েছেন তদন্ত কর্মকর্তারা। অধিকতর তদন্তের জন্য অনুসন্ধান টিমকে ওইসব দেশে পাঠানোর চিন্তাভাবনাও চলছে।
এছাড়া, কোকেন আমদানির ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে দায়ের করা মামলায় চোরাচালান সংক্রান্ত বিশেষ ক্ষমতা আইনও প্রয়োগ করতে চাচ্ছে রাষ্ট্রপক্ষ। এরইমধ্যে আদালতে এ বিষয়ে আবেদন করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের কৌসুলি ও মহানগর পিপি মো. ফখরুদ্দিন চৌধুরী।
চট্টগ্রাম বন্দরে আটক তরল কোকেনের চালান নিয়ে তদন্তে কিছু অগ্রগতি হয়েছে—উল্লেখ করে পুলিশ জানিয়েছে, তারা গ্রেপ্তার ৪ জনকে নানাভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে, কিছু তথ্য এরইমধ্যে পাওয়া গেছে।
এছাড়াও, গ্রেপ্তার খান জাহান আলী গ্রুপের কর্মকর্তা গোলাম মোস্তফা সোহেলকে পুনরায় ৫ দিনের রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ। তদন্তে বাংলাদেশের বাইরে ভারত, বলিভিয়া ও যুক্তরাজ্যের মাদক পাচারকারী চক্রের কয়েকজন এ ঘটনায় জড়িত থাকার প্রমালও মিলেছে।
প্রয়োজনে আদালতের অনুমতি নিয়ে ওই সব দেশে তদন্ত কর্মকর্তা পাঠানোর সিদ্ধান্তও নেয়া হবে বলে বলে জানান একজন তদন্ত কর্মকর্তা।
সিএমপির উপ কমিশনার তানভীর আরাফাত বলেন, কোকেনের চালান নিয়ে তারা বিভিন্ন ধরণের তথ্য পাচ্ছেন। বাংলাদেশকে ব্যবহার করে একটি চক্র কোকেন পাচারে দীর্ঘ দিন ধরে জড়িত বলে তদন্তে বেরিয়ে আসছে।
গত ৬ জুন রাতে কোকেন আছে সন্দেহে চট্টগ্রাম বন্দরে একটি কনটেইনার সিলগালা করে শুল্ক গোয়েন্দা কর্মকর্তারা। ৮ জুন এটি খুলে ১০৭টি ড্রামের প্রতিটিতে ১৮৫ কেজি করে সানফ্লাওয়ার তেল পাওয়া যায়। তেলের নমুনা প্রাথমিক পরীক্ষা করে কোকেনের অস্তিত্ব পাওয়া না গেলেও ঢাকায় উন্নত ল্যাবে কেমিক্যাল পরীক্ষার পর সেখানে কোকেনের অস্তিত্ব মেলে। যা ২৭ জুন প্রকাশ করা হয়।