শিশু রাজন হত্যা মামলার আরেক আসামি চৌকিদার ময়না মিয়াকে ৭ দিনের রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ। মঙ্গলবার আদালতের বিচারক শাহিদুল করিম এ আদেশ দেন।
এদিকে, মামলার তদন্তভার থানা-পুলিশ থেকে গোয়েন্দা পুলিশে (ডিবি) স্থানান্তর করা হয়েছে।
গতকাল মঙ্গলবার গ্রেপ্তার হওয়া চৌকিদার ময়না মিয়া ওরফে বড় ময়নাকে বুধবার দুপুরে সিলেটের মহানগর হাকিম আদালত-২ এ হাজির করে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করে পুলিশ।
সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার মো. রহমত উল্লাহ বলেন, সামিউল হত্যা মামলার তদন্তভার জালালাবাদ থানা-পুলিশ থেকে গোয়েন্দা পুলিশে স্থানান্তর করা হয়েছে।
জানা গেছে, জালালাবাদ পুলিশের বিরুদ্ধে সামিউলের বাবার অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
এর আগে এ মামলার বাদী জালালাবাদ থানার উপরিদর্শক (এসআই) আমিনুল ইসলামকে থানা থেকে প্রত্যাহার হয়।
জালালাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আখতার হোসেন বলেন, আজ দুপুরে দুলাল আহমেদ নামের এক ব্যক্তিকে ধরে পুলিশে দিয়েছে এলাকাবাসী। মামলার এজাহারে দুলালের নাম না থাকলেও তিনি সামিউলকে নির্যাতন ও ভিডিওধারণ দাঁড়িয়ে থেকে প্রত্যক্ষ করেছেন। ঘটনার পর থেকে তিনি পলাতক ছিলেন।
এদিকে, দায়িত্বে অবহেলা এবং রাজন পরিবারের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে এসআই আমিনুল ইসলামকে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ উত্তরের উপকমিশনার কার্যালয়ে প্রত্যাহার করে নেয়া হয়েছে। হত্যার ঘটনায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দিয়েছে প্রধান আসামি মুহিত।
হত্যাকাণ্ডের দুই প্রত্যক্ষদর্শীও জবানবন্দি দিয়েছে। মামলার অন্যতম আসামি ইসমাইলের ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত।
এর আগে হত্যায় জড়িত কামরুলকে সোমবার সৌদি আবরেব জেদ্দা থেকে আটক করেছে স্থানীয় পুলিশ।