সিলেটে শিশু রাজন হত্যা মামলার অন্যতম আসামি আলী হায়দারকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ বলে জানিয়েছেন সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের মুখপাত্র অতিরিক্ত উপ-কমিশনার মো. রহমত উল্লাহ। রাজন হত্যা মামলায় সৌদি আরবে আটক হওয়া আসামি কামরুলের বড় ভাই আলী হায়দার।
শুক্রবার সকালে উপজেলার শেখপাড়া এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
মো. রহমত উল্লাহ বলেন, সকাল সাড়ে ১০টার দিকে শেখপাড়া এলাকা থেকে কামরুলের বড় ভাই আলী হায়দারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ নিয়ে রাজনকে নির্যাতন ও হত্যায় জড়িত তাদের ৪ ভাইয়ের মধ্যে ৩ জনকেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের আরেক ভাই শামীম এখনও পলাতক রয়েছে।
এর আগে বুধবার বৃহস্পতিবার দুপুরে নির্যাতনের ভিডিও চিত্র ধারণকারী নুর আহমদ ও হত্যা মামলার অপর আসামি দুলাল মিয়াকে মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট- ৩ এর আদালতে হাজির করা হয়। তাদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন করলে বিচারক ৭ দিনের রিমাণ্ড মঞ্জুর করেন।
আদালতে জবানবন্দি: ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে গ্রেপ্তার হওয়া আজমত উল্লা ও ফিরোজ আলী আদালতে জবানবন্দি দিয়ে ঘটনার বর্ণনা দিয়েছে। মহানগর হাকিম আদালতের বিচারক মো. সাহেদুল করিম তাদের জবানবন্দি ১৬১ ধারায় রেকর্ড করেন। পরে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়। গত সোমবার গ্রেপ্তার হওয়া মুহিতের স্ত্রী লিপি বেগমকেও গতকাল কারাগারে পাঠানো হয়।
সিলেটের কুমারগাঁও বাসস্ট্যান্ড এলাকায় গত বুধবার খুঁটির সঙ্গে সামিউলকে (১৪) বেঁধে রোলার দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। নির্যাতনকারীরাই সামিউলকে নির্যাতনের ভিডিওচিত্র ধারণ করে। সামিউলের লাশ ফেলতে গিয়ে ধরা পড়ে কামরুলের বড় ভাই মুহিত আলম (৩৫)।