শিশু সামিউল আলম রাজন হত্যায় পুলিশের কোনো সদস্য জড়িত কিনা— তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। দোষী প্রমানিত হলে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও জানান তিনি। বুধবার রাজনের পরিবারকে সান্তনা দিয়ে তিনি এ আশ্বাস দেন।
সৌদি আরবে আটক কামরুলকে খুব শিগগিরই দেশে ফরিয়ে আনা হবে বলেও জানান মন্ত্রী।
এদিকে, রাজন হত্যার ঘটনায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে মামলার অন্যতম আসামি মুহিদ আলম।
গত ৮ জুলাই সিলেটের কুমারগাঁওয়ে চুরির অভিযোগ তুলে রাজনকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। এ ঘটনার দিনই রাজনের লাশ গুমের সময় স্থানীয় জনতা রাজন হত্যা মামলার অন্যতম আসামি মুহিদ আলমকে আটক করে পুলিশের কাছে তুলে দেয়। এরপর দুই দফায় ১২ দিনের রিমান্ডে নেয়া হয় মুহিদকে।
২য় দফা রিমান্ড শেষ হওয়ার আগেই সে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দী দিতে রাজি হলে তাকে সিলেট মহানগর ৩য় হাকিম আদালতের বিচারক আনোয়ারুল হকের কাছে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে, বিকেলে সে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়।
আলোচিত এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় এক নারীসহ ১০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এদের মধ্যে দুলাল আজম ও নুর মিয়া, ময়না মিয়া ও দুজন প্রত্যক্ষদর্শী ১৬৪ ধারায় জবানবন্দী দিয়ে নিজেদের দায় স্বীকার করেছে।