সিলেটে শিশু সামিউল আলম রাজনকে নির্যাতন ও হত্যার ঘটনায় আয়াজ আলী নামে আরো একজনকে গ্রেপ্তার করেছে মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। এ নিয়ে এ হত্যা মামলায় সৌদিআরবে আটক কামরুলসহ ১৩ জন গ্রেপ্তার করা হলো।
জালালাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আখতার হোসেন বলেন, শুক্রবার রাত ২টার দিকে সিলেটের কুমারগাঁও বাসস্টেশনের শেখপাড়া থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি পেশায় রং মিস্ত্রি। সামিউলকে নির্যাতনের প্রত্যক্ষদর্শী তিনি।
এর আগে শিশু রাজন হত্যা মামলায় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে সিলেট জালালাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আলমগীর হোসেনকে ক্লোজ করা হয়েছে। বরখাস্ত করা হয়েছে এসআই আমিনুল ইসলাম ও জাকির হোসেনকেও।
রাজন হত্যার ঘটনায় পুলিশের গাফিলতির বিষয়ে বৃহস্পতিবার রাতে ৪২৪ পৃষ্ঠার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের পরপরই এই ব্যবস্থা নেয়া হয়।
গত ৮ জুলাই সিলেটের কুমারগাঁওয়ে চুরির অভিযোগ তুলে রাজনকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। এ ব্যাপারে মামলা করতে গেলে, রাজনের বাবার সঙ্গে দুর্ব্যবহার ও মামলার অন্যতম আসামি কামরুল ইসলামকে দেশত্যাগে সহযোগিতার অভিযোগ ওঠে কর্তব্যরত বেশ কয়েকজন পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে।
অভিযোগ খতিয়ে দেখতে ১৪ জুলাই তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়। এরআগে অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যদেরকে শাস্তির আওতায় আনার কথা জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।