নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন জামায়াতুল মুজাহিদিন বাংলাদেশ (জেএমবি) চালানো সিরিজ বোমা হামলায় দায়ের করা মামলাগুলোর বিচার কার্যক্রম ১০ বছরেও শেষ হয়নি। বোমা হামলার সঙ্গে জড়িত অনেককেই এখনো গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ আর বেশকজন জামিন পেয়ে পালিয়ে গেছে।
যদিও পুলিশ দাবি করেছে, জেএমবির প্রধান নেতারা আটক থাকায় তাদের কার্যক্রম প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। তবে মাঝে মধ্যেই জঙ্গিদের তৎপরতা জানান দেয়, তারা ভেতরে ভেতরে সংগঠিত হওয়ার চেষ্টা করছে।
১৯৯৮ সালে শায়খ আব্দুর রহমানের নেতৃত্বে ইসলামী আইন বাস্তবায়নের নামে জামায়াতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশ (জেএমবি) একটি সংগঠন হিসাবে আত্মপ্রকাশ করে। ২০০১ সালে ক্ষমতায় আসার পর বিভিন্ন স্থানে তারা বোমা হামলা চালায়। সে সময় সরকার জঙ্গিদের তৎপরতার কথা অস্বীকার করে আসছিলো।
তাদের বিস্তারের চিত্র ধরার পরে, ২০০৫ সালের ১৭ আগস্ট দেশের ৬৩ জেলায় এক যোগে বোমা হামলা চালানোর মধ্য দিয়ে। এ ঘটনায় মামলা হয় প্রায় সাড়ে ৩০০। তবে বেশ কিছু মামলার সাক্ষীকে খুজে না পাওয়ায় বিচার কাজ ঝুলে আছে।
বর্তমানে জেএমবি মাথা চাড়া দিতে না পারলেও নিষিদ্ধ এ সংগঠনটি বিচ্ছিন্ন ভাবে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করছে। তবে নাশকতা সৃষ্টির আগেই জঙ্গিরা ধরা পরায় তাদের কার্যক্রম খুব সিমিত বলে দাবি করছে পুলিশ।
জঙ্গিরা যাতে দেশে আর নাসকতা সৃষ্টি করতে না পারে সে জন্য কাজ করে যাচ্ছে পুলিশ। তাদের সবধরনের নেটওয়ার্ক ভেঙে দেয়ার চেষ্টা চলছে বলেও দাবি তাদের।
পুলিশ জানিয়েছে, এরইমধ্যে রাজধানী থেকে বেশ কয়েকটি জঙ্গি সংগঠনের নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের অর্থের জোগানদাতাদেরও খুঁজে বের করা হচ্ছে।