তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনে ফরিদপুরের কোতোয়ালি থানায় দায়ের করা মামলায় সাংবাদিক প্রবীর সিকদারের ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত। মঙ্গলবার ফরিদপুরের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেটের ১ নম্বর আমলি আদালতে এ শুনানি হয়।
সকালে প্রবীর সিকদারকে আদালতে হাজির করে কোতোয়ালি থানার উপ-পরিদর্শক ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করলে ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়।
এর আগে সোমবার তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনে দায়ের করা মামলায় একাত্তরে শহীদ পরিবারের সন্তান ও সাংবাদিক প্রবীর সিকদারকে ফরিদপুর জেল হাজতে পাঠানো হয়। রোববার রাতে ঢাকার পত্রিকা অফিস থেকে গোয়েন্দা পুলিশ তাকে ধরে নিয়ে যায়।
মুক্তিযুদ্ধ ও যুদ্ধাপরাধ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সরব সাংবাদিক প্রবীর সিকদার কিছু দিন ধরেই প্রাণনাশের হুমকি পাচ্ছিলেন। তার অভিযোগ, এ বিষয়ে থানায় সাধারণ ডায়েরি করতে গেলেও তাকে ফিরিয়ে দেয় পুলিশ।
এ পর্যায়ে গত ১০ আগষ্ট ফেইসবুকে একটি স্ট্যাটাসে নিজের জীবন শঙ্কার কথা জানিয়ে লেখেন, তার মৃত্যু হলে এলজিআরডি মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন, বিতর্কিত ধনকুবের মুসা বিন শমসের ও ফাঁসির দণ্ডাদেশপ্রাপ্ত পলাতক যুদ্ধাপরাধী বাচ্চু রাজাকার এবং তাদের সহযোগীরা দায়ী থাকবে।
এ ঘটনায় রোববার বিকেলে ফরিদপুরে আওয়ামী লীগ নেতা ও এপিপি অ্যাডভোকেট স্বপন পাল বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে মামলা করেন। মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেনের সুনাম ক্ষুন্ন হয়েছে অভিযোগ এনে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের ওই মামলায় উল্লেখ করা হয়।