চট্টগ্রাম বন্দর ও শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে গত ৩ মাসে উদ্ধার হওয়া কোকেন পাচারের রুট হিসেবে বাংলাদেশকে ব্যবহার করা হয়েছে বলে ধারণা করছেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক খন্দকার রাকিবুর রহমান। দেশ টিভিকে দেয়া সাক্ষাতকারে তিনি এ কথা বলেন।
রাকিবুর রহমান বলেন, কোকেনের উচ্চ মূল্যের কারণে এ মাদক বাংলাদেশে পাচারের জন্য নয়, শুধু রুট হিসেবে ব্যবহার হচ্ছে।
আর কোকেনের মত মাদকদ্রব্য সনাক্তে পর্যাপ্ত সরঞ্জাম না থাকায় হয়তো পাচারকারীরা বাংলাদেশকে নিরাপদ রুট হিসেবে ব্যবহার করছে বলে মনে করেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অপারেশনস ও গোয়েন্দা পরিচালক সৈয়দ তৌফিক উদ্দিন আহমেদ।
তবে বাংলাদেশকে তারা পাচারের রুট হিসেবে কেন ব্যবহার করছে, এ প্রশ্নের কোনো কূল কিনারা করতে পারেনি মাদক নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ।
এদিকে, দেশে ইয়াবার মতো কোকেনের ব্যাপক বিস্তার রোধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে আরো সতর্ক অবস্থানে থাকার নির্দেশ দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল।
উল্লেখ্য, এ বছরের ৭ জুন চট্টগ্রাম বন্দরে একটি কনটেইনারে ভোজ্যতেলের ১০৭টি ড্রামের মধ্যে ৯৬ নম্বর ড্রামে কোকেনের সন্ধান পান শুল্ক গোয়েন্দারা। ওই ঘটনায় ৩ জনকে আটক করেন শুল্ক গোয়েন্দারা। তাদের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে ওই কোকেন বাংলাদেশ হয়ে ভারতে পাচারের কথা ছিল।
এ ঘটনার তিন মাস না পেরোতেই গত ১ সেপ্টেম্বর দুই কেজি ৩০০ গ্রাম কোকেন পাউডারসহ শাহজালাল বিমানবন্দর থেকে এক বিদেশি নাগরিককে গ্রেপ্তার করে শুল্ক কর্তৃপক্ষ।
বলিভিয়া ও পেরু দক্ষিণ আমেরিকার পাশাপাশি দুই দেশ। কোকেন চোরাচালানে এ দুই দেশের মাদক পাচারকারীদের কুখ্যাতি রয়েছে। বাংলাদেশে কোকেনের ধরা পড়া দুইটি চালানও এসেছে ওই দুই দেশ থেকে।