রাজধানীর বাড্ডায় বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) সাবেক চেয়ারম্যান মুহম্মদ খিজির খান হত্যার ২৪ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও কাউকে আটক বা গ্রেপ্তার করতে পারেনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। তাকে কেন হত্যা করা হয়েছে বা কারা এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে সে বিষয়েও কোনো তথ্য নেই পুলিশের কাছে।
পারিবারিক, চাকরিগত বা ধর্মীয় মতবিরোধের জেরে এ হত্যার ঘটনা ঘটেছে কি-না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
ময়না তদন্ত শেষে ঢামেকের সহকারী অধ্যাপক ফরেনসিক বিভাগের ডা. কাজী মুহাম্মদ আবুশামা বলেন, তার গলায় সাড়ে ৭ ইঞ্চির একটি কাটা দাগ পাওয়া গেছে। হত্যাকারীরা নিখুঁতভাবে এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে।
জানা গেছে, পিডিবির এ সাবেক চেয়ারম্যান অনেকের কাছে পীর হিসেবেও পরিচিত ছিলেন। তার নিজস্ব একটি তরিকাও ছিলেন।
আর স্বজনরা জানিয়েছেন, খিজির খানের ইসলামিক মতাদর্শ নিয়ে কারো সঙ্গে কোনো দ্বন্দ্ব ছিলো না।
বাড্ডায় পিডিবির সাবেক চেয়ারম্যান খিজির খানকে হাত-পা বেধে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।
এদিকে, হত্যার এ ঘটনায় এখোনো কাউকে আটক করতে পারেনি পুলিশ। ইতালিয়ান নাগিরক হত্যার এক সপ্তাহের মধ্যে গুলশান এলাকায় আরকেটি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটলেও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের মধ্যেই রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এর আগে ২০১৪ সালের ২৭ আগস্ট একই ভাবে রাজধানীর রাজাবাজারে ইসলামী ফ্রন্টের নেতা নুরুল ইসলাম ফারুকীকে হত্যা করে দুবৃর্ত্তরা।
আর সবজুবাগে একই কায়দায় ২০১৩ সালের ডিসেম্বরে হত্যা করা হয় কথিত পীর লুৎফর রহমানসহ ছয়জনকে। তবে এ দুই হত্যাকাণ্ডের একটিরও কোনো কুল কিনারা করতে পারেনি আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী।