বিদেশি দুই নাগরিক হত্যার ঘটনা তদন্তে এখনো কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি নেই। রাজধানীর কূটনৈতিক পাড়ায় ইতালীয় নাগরিক সিজার তাভেলার খুনিদের ফোনালাপের অডিও তদন্ত সংস্থার হাতে থাকলেও কাউকেই এখনো গ্রেপ্তার করতে পারেনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। পুলিশ বলছে শিগগিরই ধরা পড়বে খুনিরা।
তাভেলা হত্যার পর বিভিন্ন দূতাবাস তাদের নাগরিকদের চলাচলের ব্যাপারে সতর্ক করে দেয়। আর রাজধানীর গুলশান-বারিধারা কূটনৈতিক এলাকায় বিশেষ মহড়া শুরু করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
গত ২৮ সেপ্টেম্বর গুলশানে সন্ধ্যায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে খুন হন ইতালীয় নাগরিক সিজার তাভেলা। ঘটনার সময় অ্যামেরিকান ইন্টারন্যাশনাল স্কুল হেলথ ক্লাব থেকে বাসায় ফিরছিলেন তিনি। ঘটনাস্থলের সামনের সড়কটি পেরিয়ে গুলশান ৫৪ নম্বর সড়কের একটি ভবনের চতুর্থ তলায় থাকতেন তিনি। এ সড়কের কোথাও কোনো সিসিটিভি ক্যামেরা নেই। ঘটনাস্থলের একটু দূরে বিভিন্ন ভবনের নিরাপত্তায় সিসিটিভি ক্যামেরা রয়েছে। তবে এসব ক্যামেরায় ধারণ করা ওই খুনের ঘটনার সময়কার ফুটেজ অনেকটাই ঝাঁপসা।
প্রশ্ন উঠেছে খুনিরা ৫৪ নম্বরের নিরাপদ সড়কটি বেছে না নিয়ে ৯০ নম্বর সড়ককে বেছে নিল কেন? আর ঘটনাস্থলের আশপাশে রয়েছে বিভিন্ন দেশের প্রায় ৬ টি দূতাবাস। এ হত্যা মামলার তদন্তকারীদের ধারণা, দেশে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে এই বিদেশি নাগরিককে হত্যা করা হয়েছে।
ইতালীয় নাগরিক হত্যার পাঁচ দিনের মাথায় রংপুরে একই কায়দায় খুন হন জাপানি নাগরিক হোসি কুনিও। এ ঘটনায় দু'জন সন্দেহভাজনকে পুলিশ গ্রেপ্তার করলেও হত্যার মোটিভ এখনো উদঘাটন হয়নি।
পুলিশের পাশাপাশি জাপান থেকে আসা সেদেশের পুলিশের চার সদস্যের একটি প্রতিনিধি দলও এ হত্যার ঘটনা তদন্ত করছে।