রাজধানীতে পুলিশের এএসআই হত্যা ও পুরান ঢাকার হোসনি দালান চত্ত্বরে তাজিয়া মিছিলের প্রস্তুতির সময় হামলা একটি চিহ্নিত গোষ্ঠী চালিয়েছে বলে জানিয়েছেন ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া।
তল্লাশি চৌকিতে পুলিশ হত্যার পর কামরাঙ্গীর চর এলাকা থেকে উদ্ধার হওয়া বিস্ফোরক ও তাজিয়া মিছিলে হামলার পর উদ্ধার হওয়া আলামত এক রকম বলে জানান তিনি।
সোমবার দুপুরে ঢাকা মহানগর পুলিশের গণমাধ্যম শাখায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
আছাদুজ্জামান মিয়া বলেন, বাংলাদেশে নৈরাজ্য সৃষ্টি ও বহির্বিশ্বের কাছে দেশ সম্পর্কে নেতিবাচক বার্তা দেওয়ায় এসব ঘটনা ঘটানো হয়েছে।
গত ২৩ অক্টোবর রাজধানীর অন্যতম প্রবেশমুখ গাবতলীতে পুলিশের তল্লাশি চৌকিতে বগুড়া থেকে ঢাকায় আসা শিবিরের এক নেতার ছুরিকাঘাতে নিহত হন পুলিশের এএসআই ইব্রাহিম মোল্লা। এসময় ঘটনাস্থল থেকে আটক হওয়া শিবিরের আরেক সদস্য মাসুদ রানাকে নিয়ে রাতেই অভিযান নামে ডিবি ও থানা পুলিশ। রাজধানীর কামরাঙ্গীর চরের শিবিরের এক মেস থেকে ৩ জন শিবির কর্মীকে আটক ও ওই মেস থেকে উচ্চক্ষমতার বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয়। তাদের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে বগুড়াতে পৃথক অভিযান চালিয়ে আটক করা হয় ২৫ জনকে।
এর একদিন পরেই পুরান ঢাকার হোসনি দালানে তাজিয়া মিছিলের প্রস্তুতির সময় বোমা হামলার ঘটনা ঘটে। এতে একজন নিহত ও অর্ধশত মানুষ আহত হয়। ঘটনাস্থল থেকে অবিস্ফোরিত দুটি বোমা উদ্ধার করা হয়।
ডিএমপি কমিশনার বলেন, কামরাঙ্গীর চর এলাকায় উদ্ধার হওয়া বোমা ও হোসনি দালানের বোমার ধরণ একই।