রাজধানীতে পুলিশের এএসআই ইব্রাহিম হত্যা ও পুরান ঢাকার হোসনি দালান চত্ত্বরে তাজিয়া মিছিলের ওপর হামলার তদন্তের অগ্রগতি হয়েছে বলে জানিয়েছের ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার শেখ মোহাম্মদ মারুফ হাসান। দুই থেকে পাঁচজন এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মঙ্গলবার দুপুরে হোসনি দালান চত্ত্বর পরিদর্শনে গিয়ে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।
গত ২৩ অক্টোবর রাজধানীর অন্যতম প্রবেশমুখ গাবতলীতে পুলিশের তল্লাশি চৌকিতে বগুড়া থেকে ঢাকায় আসা শিবিরের এক নেতার ছুরিকাঘাতে নিহত হন পুলিশের এএসআই ইব্রাহিম মোল্লা। এসময় ঘটনাস্থল থেকে আটক হওয়া শিবিরের আরেক সদস্য মাসুদ রানাকে নিয়ে রাতেই অভিযান নামে ডিবি ও থানা পুলিশ। রাজধানীর কামরাঙ্গীর চরের শিবিরের এক মেস থেকে ৩ জন শিবির কর্মীকে আটক ও ওই মেস থেকে উচ্চক্ষমতার বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয়। তাদের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে বগুড়াতে পৃথক অভিযান চালিয়ে আটক করা হয় ২৫ জনকে।
এর একদিন পরেই পুরান ঢাকার হোসনি দালানে তাজিয়া মিছিলের প্রস্তুতির সময় বোমা হামলার ঘটনা ঘটে। এতে একজন নিহত ও অর্ধশত মানুষ আহত হয়। ঘটনাস্থল থেকে অবিস্ফোরিত দুটি বোমা উদ্ধার করা হয়।
এর আগে গতকাল (সোমবার )ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান বলেন, কামরাঙ্গীর চর এলাকায় উদ্ধার হওয়া বোমা ও হোসনি দালানের বোমার ধরণ একই।