আদালতের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও নারায়ণগঞ্জের যুবলীগ নেতা ইসমাইল অপহরণ মামলায় নূর হোসেনকে জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশ গড়িমসি করছে বলে অভিযোগ করেছেন নিখোঁজের পরিবারের সদস্যরা।
এছাড়াও সাত খুন মামলায় প্রধান আসামি নূর হোসেনকে রিমান্ড না চাওয়ায় পুলিশের ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে বলে মনে করছেন আইনজীবীরা।
এ মামলার অভিযোগপত্র গঠন হওয়ায় নূর হোসেনকে রিমান্ডে নেয়ার সুযোগ নেই বলে জানিয়েছে নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপার ড. খন্দকার মহিদ উদ্দিন।
নূর হোসেনকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার সুযোগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা।
নূর হোসেনের ভাতিজার সঙ্গে বিরোধের জের ধরে ২০১৩ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে নিখোঁজ হন সোনারগাঁওয়ের ব্যবসায়ী যুবলীগ নেতা ইসমাইল।
তার পরিবার জানায়, র্যা বের সোর্সের মাধ্যমে ইসমাইলের হাতের লেখা চিরকুট পেয়ে তারা নিশ্চিত হন ইসমাইল র্যা ব হেফাজতে রয়েছেন।
র্যা ব-১১ সদরদপ্তরে তারেক সাঈদের সঙ্গে যোগাযোগ করলে ইলসমাইলের মুক্তির জন্য দুই কোটি টাকা দাবি করা হয়। পরে ইসমাইলের পরিবার এক কোটি টাকা নিয়ে গেলে তা গ্রহণ করেনি র্যা ব। এরপরই ঘটে সাত খুনের ঘটনা।
ইসমাইল অপহরণ ও নিখোঁজের ঘটনায় নূর হোসেন ও তারেক সাইদের সম্পৃক্ততা ক্ষতিয়ে দেখতে তদের জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ দেয় আদালত।
তবে নূর হোসেনকে জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশ রিমান্ড না চাওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন নিখোঁজ ব্যবসায়ী ইসমাইলের আইনজীবী আব্দল মান্নান।
এ সব অপরাধে নূর হোসেনকে জিজ্ঞাসাবাদের সুযোগ রয়েছে বলে জানান অ্যাডভোকেট মাহাবুবুর রহমান মাসুম ও সাত খুন মামলার বাদী অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন।