ঝিমিয়ে পড়া নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন জামায়াতুল মুজাহিদিন বাংলাদেশ-জেএমবি পুনর্গঠনে মাঠে নেমেছে ছাত্রশিবির। সামরিক প্রশিক্ষণ নেয়ার পাশাপাশি আর্থিকভাবে জেএমবিকে সহায়তা দিচ্ছে শিবির।
এমন তথ্য জানিয়েছেন মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের যুগ্ম-কমিশনার মনিরুল ইসলাম।
বৃহস্পতিবার নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান তিনি।
তিনি মনে করেন, জেএমবির প্রধান শায়খ আব্দুর রহমানের ফাঁসির পর এর কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হয়।
তবে, এর নিষ্ক্রিয় নেতাদের নিয়ে নতুন করে সক্রিয় হচ্ছে ছাত্রশিবির— সক্রিয় জেএমবির হাল ধরতে যাচ্ছেন যিনি তার সম্পর্কেও তথ্য রয়েছে পুলিশের কাছে বলে জানান এ গোয়েন্দা কর্মকর্তা।
পুলিশের এ কর্মকর্তার দাবি, শিবিরের অনেকে জেএমবিতে যোগ দিচ্ছেন এবং এর পুনর্গঠনে জেএমবিকে অর্থের জোগানও দিচ্ছে তারা।
নতুন করে সক্রিয় জেএমবির প্রধানের দায়িত্ব নিতে যাওয়া নেতার তথ্যও রয়েছে পুলিশের কাছে। তাকে আইনের আওতায় আনতে পুলিশ তৎপর রয়েছে বলে জানান এ গোয়েন্দা কর্মকর্তা।
বিগত ২০০৫ সালে একযোগে দেশের ৬৩ জেলায় বোমা হামলা চালিয়ে নিজেদের অস্তিত্ব জানান দিয়েছিল জামায়াতুল মুজাহিদিন বাংলাদেশ--জেএমবি।
এর পর সরকারের টনক নড়ে গ্রেপ্তার করা হয় দলটির প্রধান শায়খ আব্দুর রহমান ও সিদ্দিকুল ইসলাম বাংলাভাইসহ ৬ শীর্ষ নেতাকে। এই দুই শীর্ষ নেতার ফাঁসি হওয়ায় অনেকটাই নিস্ক্রিয় হয়ে পড়ে জেএমবি এমনটাই দাবি পুলিশের।
এরপর আর বড় কোনো নাশকতা চালাতে পারেনি জঙ্গি সংগঠনটি। পুলিশ বরাবরই বলে আসছে, জেএমবি কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। তবে গত বছরের অক্টোবরে ভারতের বর্ধমানের খাগরাগড়ে বোমা বিস্ফোরণ ও এ বছরের জুলাইয়ে ত্রিশালে পুলিশের প্রিজনভ্যানে হামলা চালিয়ে জঙ্গি ছিনিয়ে নেয়ার ঘটনায় আবারো আলোচনায় আসে জেএমবি।