জাপানি নাগরিক কুনিও হোশি হত্যাসহ দিনাজপুরে ইতালী নাগরিকের ওপর হামলা ও ইসকন মন্দিরে বোমা বিস্ফোরণ ঘটনাসহ মোট ৭টি ঘটনায় জেএমবির সম্পৃক্ততা মিলেছে বলে জানিয়েছেন পুলিশের রংপুর রেঞ্জের ডিআইজি হুমায়ুন কবীর।
মঙ্গলবার সকালে ডিআইজি কমিশনার সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
ঝুঁকিতে রয়েছে রংপুর ও দিনাজপুর জেলা। এ ঘটনায় আট জেলা থেকে এ পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ১৮ জেএমবি সদস্যকে বলেও জানান ডিআইজি। গ্রেপ্তারকৃতদের কাছ থেকে ৪৭ রাউন্ড গুলি, ৩টি অত্যাধুনিক পিস্তল, একটি একে ২২ অটোমেটিক রাইফেল, তিনটি মটর সাইকেল উদ্ধার করা হয়।
এছাড়া মাসুদ রানার বাড়ি থেকে ধারালো অস্ত্র, ৫৫টি গ্রেনেড তৈরি বডি, জিহাদি বইসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।
গ্রেপ্তার হওয়া জেএমবি সদস্য ইসহাক আলী সোমবার আদালতের কাছে জবানবন্দিতে গুরুত্বর্পূণ তথ্য দিয়েছে—উল্লেখ করে হুমায়ুন কবীর বলেন, গ্রেপ্তারকৃত জেএমবি নেতা ইরাক ফেরত মাসুদ রানা ছিল অস্ত্রের যোগান দাতা। ইসহাক আলীর বড় ভাই লিভিয়া প্রবাসী ইনসার আলী ছিলেন জেএমবির উত্তরাঞ্চলীয় প্রশিক্ষক। তিনি লিবিয়াযুদ্ধে মারা গেছেন বলে জানিয়েছেন তার পরিবার।
উল্লেখ, চলতি বছরের ৩ অক্টোবর সকালে রংপুর শহরের উপকণ্ঠে কাউনিয়া উপজেলার কাচু আলুটারি গ্রামে দুর্বৃত্তের গুলিতে খুন হন জাপানি নাগরিক কুনিও হোশি।