চুয়াডাঙ্গায় রেলওয়ের জায়গা অবৈধভাবে দখল করে গড়ে উঠেছে অসংখ্য ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান— এসব স্থাপনায় চলছে মাদক ব্যবসাসহ নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড। এ ব্যাপারে রেল কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় প্রশাসন নির্বিকার ভূমিকার পালন করছে।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, স্থানীয় প্রভাবশালী মহল ও রেলের কিছু আসাধু কর্মকর্তাদের যোগসাজশে এসব অনিয়ম চলছে।
চুয়াডাঙ্গা জেলায় রয়েছে ১০টি রেলওয়ে স্টেশন— আর দুই পাশে রেলওয়ের জমি জবরদখল করে গড়ে উঠেছে অসংখ্য অবৈধ স্থাপনা।
সন্ধ্যা নামলেই রেললাইন এলাকা ও এর আশপাশের অবৈধ স্থাপনাকে ঘিরে শুরু হয় মাদক ব্যবসাসহ নান অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড। আর এসব অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে সবচেয়ে বেশি জড়িয়ে পড়ছে এলাকার তরুণ সমাজ।
একই চিত্র জেলার মোমিনপুর, দর্শনাসহ জেলার ১০টি রেলওয়ে স্টেশনেরই।
চুয়াডাঙ্গা রেলস্টেশনের মাস্টার মিজানুর রহমান জানিয়েছেন, রেলওয়ের জমি রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব রেলওয়ের ভূ-সম্পত্তি বিভাগের।
তবে, একাধিকবার চুয়াডাঙ্গা রেলওয়ের ভূ-সম্পত্তি বিভাগে গিয়েও খোঁজ মিলেনি কোনো কর্মকর্তার।
এদিকে, রেলওয়ে এলাকায় মাদকব্যবসা ও নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন চুয়াডাঙ্গা রেলওয়ে ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই জাফর আলী।
অবিলম্বে এসব সমস্যা সমাধানের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।