ব্যাংক কর্মকর্তা ও ঢাকা দক্ষিণের সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তাকে মারধরের বিষয়ে গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন পাওয়ার পর ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন পুলিশে মহাপরিদর্শক-আইজিপি শহীদুল হক।
শনিবার ২য় পর্বের বিশ্ব ইজতেমার পরিস্থতি দেখতে গিয়ে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।
গতকাল ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) পরিচ্ছন্নতা বিভাগের পরিদর্শক বিকাশ চন্দ্র দাস (৪০) ভোরে রাজধানীর মীর হাজিরবাগ এলাকায় কর্তব্যরত অবস্থায় বেধড়ক পেটায় যাত্রাবাড়ী থানার কয়েকজন পুলিশ। তারপর থেকে হাসপাতালে বিকাশ। বিকেলে বিকাশকে ঢাকা মেডিকেল থেকে একটি বেসরকারি হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে নেয়া হয়েছে।
যাত্রাবাড়ি থানার এসআই আরশাদ হোসেন আকাশসহ কয়েকজন পুলিশ সদস্য মীর হাজীরবাগ এলাকায় বিকাশকে মারধর করে বলে তার ভাই চন্দন দাসের অভিযোগ।
গত ৯ জানুয়ারি রাজধানীতে বাংলাদেশ ব্যাংকের এক কর্মকর্তাকে মারধর ও ক্রসফায়ারে মেরে ফেলার ভয় দেখিয়েছিল মোহাম্মদপুর থানার পুলিশ। অভিযুক্ত উপপরিদর্শক (এসআই) মাসুদ শিকদারকে অবশ্য প্রত্যাহার (ক্লোজড) করা হয়েছে। কিন্তু ব্যাংক কর্মকর্তা গোলাম রাব্বী এখনো হাসপাতালে পড়ে আছেন। শারীরিক আঘাত সেরে উঠলেও মানসিক আঘাতে বিপর্যস্ত তিনি। ওই ঘটনার তদন্ত এখনো পুলিশ শেষ করেনি।
গত বছরের ১৯ নভেম্বর রাতে রাজধানীর শাহবাগে পুলিশের নিরাপত্তা প্রস্তুতির চিত্র ধারণের সময় বেসরকারি এশিয়ান টিভির প্রতিবেদক নূরে আলম ও ক্যামেরা পারসন দিদার হোসেনকে মারধর করেন ঢাকা জেলা পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মশিউর রহমান। ওই ঘটনায় এখন পর্যন্ত মশিউরের কোনো শাস্তি হয়নি।