গাজীপুরের কুনিয়া তারগাছ এলাকার বালুরমাঠে ‘টাইম বোমা’ ভেবে যে বস্তুগুলো উদ্ধার করা হয়েছিল পরীক্ষা করে তার মধ্যে কোনো বিস্ফোরকই পাওয়া যায়নি।
রোববার বিকেলে পরীক্ষার পর পুলিশ সুপার হারুন বলেন, টাইম বোমার সব আলামত থাকলেও বোমা এক্সপার্ট দিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখা গেছে ওগুলো টাইম বোমা নয়— এমনকি ভেতরে কোনো বিস্ফোরকও নেই।
ভোরে টঙ্গীর বিশ্ব ইজতেমা ময়দান থেকে ৫ কিলোমিটার দূরে বালুরমাঠে ঘড়ি লাগানো তার প্যাঁচানো বোমাসদৃশ পাঁচটি বস্তু পান পুলিশ সদস্যরা।
পরে বিশ্ব ইজতেমার আখেরি মোনাজাত শেষে শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার স্টেডিয়ামে স্থাপিত পুলিশ কন্ট্রোল রুমের পাশে মিডিয়া সেন্টারে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে ‘টাইম বোমা ও রিমোট কন্ট্রোল উদ্ধারের খবর জানান গাজীপুরের পুলিশ সুপার হারুন আর রশিদ।
জয়দেবপুর থানা পুলিশ ওই বস্তুগুলো উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। খবর দেয়া হয় বিস্ফোরক বিশেষজ্ঞদের।
সব শেষ বস্তুগুলো পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে।
সকালের তথ্য:
গাজীপুর কুনিয়ার একটি মাঠে পরিত্যক্ত অবস্থায় পাঁচটি শক্তিশালী বোমা পাওয়া গেছে—যেগুলো সময় বা দূর নিয়ন্ত্রিত বলে পুলিশের ধারণা।
রোববার ভোরে কুনিয়াপাড়া তারগাছ এলাকায় বালুর মাঠে ওই পাঁচটি বোমা ও রিমোট কন্ট্রোল উদ্ধার করে পুলিশ।
ইজতেমায় নাশকতার জন্য দুর্বৃত্তরা ওই বোমা বহন করছিল বলে পুলিশের ধারণা।
গাজীপুরের পুলিশ সুপার হারুন অর রশিদ দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে শহীদ আহসানউল্লাহ মাস্টার স্টেডিয়ামে স্থাপিত পুলিশ কন্ট্রোল রুমের পাশে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান।
পুলিশ সুপার হারুন অর রশিদ বলেন, গোপন খবরের ভিত্তিতে জয়দেবপুর থানা-পুলিশ কুনিয়া তারগাছ এলাকায় অভিযান চালায়। ওই এলাকার একটি বালুরমাঠ থেকে একটি রিমোট কন্ট্রোলসহ পাঁচটি টাইম বোমা উদ্ধার করে। পরে বোমাগুলো নিষ্ক্রিয় করা হয়।
হারুন অর রশিদ আরো বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বিশ্ব ইজতেমায় নাশকতা ও আতঙ্ক সৃষ্টির জন্য দুর্বৃত্তরা ওই বোমা বহন করছিল। পুলিশের তৎপরতার কারণে দুর্বৃত্তরা সেগুলো ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। তবে দুর্বৃত্তদের কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। তাদের চিহ্নিত করতে পুলিশের তৎপরতা চলছে।
এ ব্যাপারে জয়দেবপুর থানায় আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানান তিনি।