রাজশাহীতে দুই কিশোর জাহিদ ও ইমনকে নির্যাতনের ঘটনার প্রাথমিক তদন্তে সোমবার পুলিশ কনস্টেবল সাগর ও সেনাবাহিনীর সদস্য নাসির উদ্দিনের সম্পৃক্ততা পেয়েছে পুলিশ।
ঘটনার পর থেকেই পলাতক সাগর, নাসির উদ্দিনসহ এজাহারভুক্ত ১২ আসামি।
এদিকে, রাজশাহীর পবা উপজেলার চৌবাড়িয়া গ্রামের কিশোর জাহিদ ও ইমনের নির্যাতনকারীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে ফুঁসে উঠেছে এলাকাবাসী। সকালে চৌবাড়িয়া মোড়ে অবস্থান নিয়ে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করে তারা। অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও শাস্তির দাবি তাদের।
প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ ও সেনাসদস্যের সংশ্লিষ্টতা পাওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ঢাকা মহানগর পুলিশ ও বগুড়া ক্যান্টনমেন্টে চিঠি পাঠিয়েছে পবা থানা পুলিশ।
এদিকে, জাহিদ ও ইমনকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।
শুক্রবার চৌবাড়িয়া গ্রামের রাকিব নামে এক ব্যক্তির মোবাইল ফোনসেট চুরি হলে তার পরিবার অষ্টম শ্রেণীর শিক্ষার্থী ইমন ও জাহিদকে ধরে তার বাড়িতে নিয়ে যায়। সেখানে তাদের হাত-পা বেঁধে চুরির দায় স্বীকার করানোর জন্য বেধড়ক মারধর করা হয়। সেই সঙ্গে, ধারণ করা হয় এই নির্যাতনের ভিডিওচিত্র।
এ ঘটনায় শনিবার রাতে পবা থানায় দুই সেনা ও র্যা ব সদস্যসহ ১৩ জনকে আসামি করে মামলা করা হয়েছে। ওই ঘটনায় আজিজুল ইসলাম নামে এক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।