গ্রাহকদের আমানত রক্ষায় বেসরকারি কয়েকটি ব্যাংকের গাফিলতির কারণে এটিএম কার্ড জালিয়াতির ঘটেছে বলে মনে করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও আইটি বিশেষজ্ঞরা।
সোমবার আগামী এক মাসের মধ্যে এটিএম বুথগুলোতে অ্যান্টি স্কিমিং ডিভাইস স্থাপন এবং প্রতিদিন সিসি ক্যামেরার ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করার নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
এরইমধ্যে আলাদাভাবে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় ব্যাংক। প্রাথমিক তদন্তে এর সঙ্গে এক বিদেশি নাগরিকের জড়িত থাকার প্রমাণও মিলেছে।
প্রতিটি এটিএম বুথেই নিরাপত্তার জন্য বসানো আছে সিসি ক্যামেরা— কিন্তু এ সিসি ক্যামেরার বৃত্ত ভেঙ্গেই জালিয়াতরা এটিএম বুথের ভেতর বসিয়েছে স্কিমিং ডিভাইস। যা দিয়ে সেখানে পাঞ্চ করা প্রতিটি কার্ডের পিন কোডসহ গ্রাহকের যাবতীয় তথ্য সংগ্রহ করে পরবর্তীতে ক্লোন কার্ড বানিয়ে বুথ থেকে টাকা তুলে নেয়া হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সূত্র মতে, সিটি, ইউসিবিএল এবং ইস্টার্ন এ তিনটি ব্যাংকের প্রায় সাড়ে তিনশো কার্ডের তথ্য জালিয়াতদের কাছে পাচার হয়েছে।
সিসি ক্যামেরা থাকা সত্বেও জালিয়াতদের স্কিমিং ডিভাইস বসানোর ঘটনায় প্রশ্ন উঠেছে গ্রাহকের অর্থের নিরাপত্তায় ব্যাংকগুলোর দায়িত্বশীলতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন আইটি বিশেষজ্ঞ শুভংকর।
সিসি ক্যামেরার ফুটেজ এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রাথমিক তদন্তে এ ঘটনায় একজন বিদেশি'র জড়িত থাকার প্রমাণ মিলেছে। বাংলাদেশ ব্যাংক ও পুলিশ আলাদাভাবে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে। তদন্তে ব্যাংকগুলোর কোন ধরণের গাফিলতি প্রমাণিত হলে শাস্তির আওতায় আনা হবে ব্যাংক কর্তৃপক্ষকেও।
গ্রাহকদের আমানতের নিরাপত্তায় প্রতিটি এটিএমে অ্যান্টি স্কিমিং এ পিন শিল্ড ডিভাইস স্থাপন প্রতিদন সিসি ক্যামেরার ফুটেজ পর্যবেক্ষণ, নিয়মিত এটিএম বুথ পরীক্ষা নিরীক্ষাসহ ৬ দফা নির্দেশনা দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।