এটিএম বুথে জালিয়াতির ঘটনায় সিসি ক্যামেরায় পাওয়া ছবি দেখে প্রাথমিকভাবে সনাক্ত করা বিদেশি নাগরিককে ধরতে প্রায় একই রকম চেহারার ৫ বিদেশিকে নজরদারিতে রেখেছে পুলিশ বলে জানিয়েছেন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মনিরুল ইসলাম।
বুধবার ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ স্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
আসল অপরাধী কে সে বিষয়ে নিশ্চিত হওয়ার পরই তাকে গ্রেপ্তার করা হবে—উল্লেখ করে পুলিশ কমিশনার বলেন, তবে ওই বিদেশি যাতে বাইরে চলে যেতে না পারে সে বিষয়েও পদক্ষেপ নিয়েছে পুলিশ।
তথ্য যাচাই-বাছাইয়ে বুথগুলোতে ১২০০ কার্ডের লেনদেন হয়েছে—মন্তব্য করে মনিরুল ইসলাম বলেন, এর মধ্যে ৪০টি কার্ড ক্লোন করে গ্রাহকের প্রায় ২০ লাখ টাকা তুলে নেয়ার তথ্য পাওয়া গেচে।
এদিকে, ইর্ষ্টান ব্যাংকের যে ২২ জন গ্রাহকের কার্ড ব্যবহার করে টাকা চুরির বিষয়ে কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত হয়েছে, তাদের টাকা বৃহস্পতিবার ফেরত দেয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।
রাজধানীর বনানীতে ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের একটি বুথে স্কিমিং ডিভাইস বসিয়ে গ্রাহকের তথ্য চুরি করে টাকা উত্তোলনকারী বিদেশির ক্লোজড সার্কিট ক্যামেরায় ধরা ছবি এখন গোয়েন্দাদের কাছে।
গত ১৪ ফেব্রুয়ারি ইউসিবি কর্তৃপক্ষ বনানী থানায় মামলা করে এজাহারের সঙ্গে সিসিটিভির ভিডিও জমা দেয়। অপরাধী যেন বাংলাদেশ থেকে পালাতে না পারে সেজন্য বিমান, নৌ ও স্থলবন্দরগুলোতে নজরদারি চালাতে অনুরোধ করা হয় ব্যাংকের পক্ষ থেকে।
একইভাবে ইষ্টার্ন ব্যাংক লিমিটেড ও সিটি ব্যাংকের ছয়টি বুথে 'স্কিমিং' ডিভাইস বসিয়ে তথ্য চুরির প্রমাণ পেয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।