রাজধানী ধামরাইয়ে সোনালী ব্যাংকের শাখায় 'ডাকাতির চেষ্টা ও র্যা বের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে' একজন নিহত হওয়ার ঘটনায় চারটি মামলা করা হয়েছে।
ধামরাই থানার ওসি রিজাউল হক বলেন, ধামরাই বাজারের রিয়াজ উদ্দিন মার্কেটে সোনালী ব্যাংক শাখার ওই ঘটনায় শুক্রবার গভীর রাতে র্যা বের পক্ষ থেকে চারটি মামলা করা হয়েছে।
তিনি বলেন, গভীর রাতে অস্ত্র, মাদক, ডাকাতি চেষ্টা ও অপমৃত্যুর ধারায় এ চারটি মামলা করেন র্যা ব-৪ এর ওয়ারেন্ট অফিসার বদরুদ্দিন আহম্মেদ।
তিনি আরো বলেন, মামলা হওয়ার পর গভীর রাতে অভিযান চালিয়ে পৌর এলাকা থেকে রিয়াজ উদ্দিন প্লাজার মালিকপুত্র রেজাউল করীমকে আটক করা হয়েছে।
এর আগে শুক্রবার ভোররাতে ওই ব্যাংকে 'ডাকাতির চেষ্টাকালে' র্যা বের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে একজন নিহত হন।
র্যা ব-৪ এর কমান্ডিং অফিসার (সিও) লুৎফর কবির শুক্রবার জানান, ধামরাই বাজারে চারতলা বিশিষ্ট একটি ভবনের দ্বিতীয় তলায় অবস্থিত সোনালী ব্যাংকের শাখায় ওই ভবনের ছাদ কাটার চেষ্টা করে একদল ডাকাত। এসময় র্যা ব-৪ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ওই ভবনটি ঘেরাও করে চারপাশে অবস্থান নেয়।
তিনি জানান, র্যা ব সদস্যদের উপস্থিতি টের পেয়ে ডাকাত সদস্যরা তিন তলা ভবনের ভেতর থেকে বের হওয়ার চেষ্টা চালায় এবং র্যা ব সদস্যকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে।
এসময় র্যা বও পাল্টা গুলি ছুড়লে মাসুক নামের এক ডাকাত সদস্য নিহত হয়। এসময় সবুজ (৬২), শিলা (১৮), রুমানা (২৫) রিয়াজ উদ্দিন (৪৮) এবং ১০ বছরের এক শিশুসহ ছয় জনকে আটক করা হয়।
রিয়াজ মার্কেটের মালিক রিয়াজ উদ্দিনের ছেলে আমিনুর রহমান জানান, দুই মাস আগে ডাকাত সদস্যরা সোনালী ব্যাংকের ওই শাখার ওপরে তৃতীয় তলায় নিজেদের পোশাক কারখানার কর্মী পরিচয় দিয়ে বাসা ভাড়া নেয়—ওই বাসার নিচের কক্ষই ছিল সোনালী ব্যাংকের ভল্ট।
ধামরাই সোনালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপক কাজী সোলাইমান বলেন, ব্যাংকের ওপর বাড়িওয়ালা থাকার কথা ছিল- মালিক তা না করে বাহিরের লোক ভাড়া দিয়েছে এরপর পূর্ব-পরিকল্পনা অনুযায়ী ভাড়াটিয়া পরিচয়দানকারী ডাকাতরা তাদের কক্ষের ছাদ কেটে ব্যাংকের ভেতরে প্রবেশ করার চেষ্টা করে।
তবে 'ডাকাতরা' কোনো টাকা নিতে পারেনি বলে তিনি জানান।