বেসিক ব্যাংকে অর্থ জালিয়াতির ঘটনায় প্রতিষ্ঠানটির সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল হাই বাচ্চুর বিষয়ে তদন্তে দ্বিধা দ্বন্দ্বে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
শনিবার সকালে রাজধানীর সেগুন বাগিচায় দুদক কার্যালয়ে নিয়মিত সংবাদ ব্রিফিং এ সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সংস্থাটির পরিচালক নূর আহমদ বলেন, তদন্তের স্বার্থে তাকে তলব করা হতে পারে।
ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান শেখ আব্দুল হাই বাচ্চুর সংশ্লিষ্টতা না পাওয়ার কথা আবারো জানিয়ে দুদক পরিচালক বলেন, এ বিষয়ে তদন্ত চলছে— প্রয়োজনে তাকে তলব করা হবে।
এ সময় দুদকের প্রতিরোধ ও গবেষণার মহাপরিচালক মো. শামসুল আরেফিন বলেন, মালয়েশিয়ায় সেকেন্ড হোম বা দ্বিতীয় বাসস্থান গড়ার নামে দেশের সম্পদশালী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অর্থ পাচারের অভিযোগের তথ্য প্রমাণ পাওয়া গেছে এবং সে বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়া হবেভ
এছাড়াও জানুয়ারি মাসে বিভিন্ন ধরনের মোট ৬২৮টি অভিযোগ পাওয়া গেছে উল্লেখ করে এরমধ্যে ৪৪টি অভিযোগ তদন্তের সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুদক।
আর মামলা হয়েছে ৩১টি ও ৪২টি চার্জশীট দাখিল হয়েছে এবং ৫৩টি মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিলের অনুমোদন দেয়া হয়েছে।
প্রসঙ্গত, রাষ্ট্রায়াত্ব বেসিক ব্যাংকের ঋণ কেলেঙ্কারির ঘটনায় বাংলাদেশ ব্যাংক ও অর্থনৈতিক সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির তদন্তে সাবেক চেয়ারম্যান শেখ আব্দুল হাই বাচ্চুর জড়িত থাকার সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে। এ তথ্য অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত সংসদকেও জানিয়েছেন।
তবে তদন্তের শুরু থেকেই এ ঘটনার সঙ্গে বাচ্চুর কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই বলে জানিয়ে আসছে দুর্নীতি দমন কমিশন।