রিজার্ভ চুরির ঘটনায় বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ব্যবহৃত কম্পিউটার, প্রিন্টার ও এর সঙ্গে যুক্ত সার্ভারের সকল তথ্য জব্দ করা হয়েছে—উল্লেখ করে সিআইডির ডিআইজি সাইফুল আলম বলেন, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কাছ থেকে পুনরায় তথ্যও সংগ্রহ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার বিকেলে বাংলাদেশ ব্যাংক পরিদর্শন শেষে তিনি এ কথা বলেন।
সিআইডির ডিআইজি বলেন, আগামীকাল (শুক্রবার) দুপুরে বাংলাদেশের এফবিআইয়ের প্রধানের সঙ্গে তদন্ত বিষয়ে বৈঠক করা হবে। তদন্তের স্বার্থে যে কাউকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলে।
তদন্তের স্বার্থে ব্যাংকের সাবেক ও বর্তমান যেকোনো কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে বলেও ইঙ্গিত দিয়ে সাইফুল আলম বলেন, তথ্য বিশ্লেষণে ঘটনার সঙ্গে কারা জড়িত তা প্রাথমিকভাবে সনাক্ত করার যাবে বলে মনে করছে সিআইডি।
রির্জাভ চুরির ঘটনায় এখন পর্যন্ত যে চারটি দেশের লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে, সেসব দেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তা নেয়া হচ্ছে বলে জানানসাইফুল আলম।
তিনি বলেন, স্পর্শকাতর এ মামলার তদন্তে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির ঘটনায় তদন্তের শুরুতে বাংলাদেশ ব্যাংক পরিদর্শন করেছে সিআইডি'র তদন্ত দল। বুধবার সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত বাংলাদেশ ব্যাংকের সার্ভারের কম্পিউটারের ইমেজ সংগ্রহ করাসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কাছ থেকে বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করেছেন তারা।
এদিকে, মামলার এজাহারে বলা হয়েছে- যুক্তরাষ্ট্রে গচ্ছিত রিজার্ভ থেকে ১০ কোটি ডলার চুরির ঘটনা কেন্দ্রীয ব্যাংক কর্মকর্তারা একদিন পরেই জানতে পেরেছিলেন। ভুয়া বার্তা পাঠিয়ে নিউ ইয়র্কের ব্যাংক থেকে তহবিল স্থানান্তর করায় হ্যাকাররা। আর বিষয়টি টের পেয়ে, ৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকা থেকে ই-মেইল পাঠিয়ে ফেডারেল ব্যাংক অব নিউ ইয়র্ককে অর্থ স্থানান্তর বন্ধ করতে বলে বাংলাদেশ ব্যাংক।