জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মোসাদ্দেক আলী ফালুর বিরুদ্ধে আবারও অনুসন্ধানে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বুধবার দুদকের উচ্চপর্যায়ের বিভিন্ন সূত্র থেকে এ তথ্য নিশ্চিত হয়।
সূত্র থেকে জানা যায়, মোসাদ্দেক আলী ফালু অবৈধভাবে বিপুল পরিমাণ অর্থ–সম্পদের মালিক হয়েছেন—এমন অভিযোগ অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুদক।
দুদকের উপপরিচালক মো. জাহাঙ্গীর আলমকে অনুসন্ধান এবং পরিচালক সৈয়দ ইকবাল হোসেনকে তদারককারী কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে বলেও জানা যায়।
২০০৭ সালের পর মোসাদ্দেক আলী থেকে অর্জিত সম্পদের অনুসন্ধান করবে দুর্নীতি দমনে নিয়োজিত রাষ্ট্রীয় সংস্থাটি। এর আগেও তার সম্পদের অনুসন্ধান করেছিল দুদক। তখন ২০০৭ সাল পর্যন্ত অর্জিত সম্পদের অনুসন্ধান করা হয়।
২০০৭ সালের ৮ জুলাই জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগে মতিঝিল থানায় মোসাদ্দেক আলী ফালুর বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক। ওই মামলায় তার বিরুদ্ধে ১৪ কোটি ৯৫ লাখ ৮২ হাজার টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন এবং ৪ কোটি ৫৭ লাখ টাকার সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগ আনা হয়।
২০০৮ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি ওই মামলায় অভিযোগপত্র দেয়া হলে আদালত তা আমলে নেন। পরে মামলাটি বাতিল চেয়ে ফালুর করা আবেদনের শুনানি শেষে ২০১২ সালের ১৯ জানুয়ারি হাইকোর্ট ওই মামলা বাতিল ঘোষণা করে রায় দেন। ২০১২ সালের ২০ মার্চ দুদক এর বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল (আপিলের অনুমতি চেয়ে আবেদন) করে।
ওই আবেদনের শুনানি শেষে গত বছরের ২৭ আগস্ট প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহার নেতৃত্বাধীন চার সদস্যের বেঞ্চ হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল নিষ্পত্তি করে আদেশ দেয়া হয়। রায়ে হাইকোর্টের দেয়া রায় বাতিল করে আপিল বিভাগ।