জঙ্গি ও তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী দমনে সারাদেশে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযানের চতুর্থ দিনে সোমবার রাত থেকে মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত ৩,১১৫ জন আটক করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এদের মধ্যে ২৬ জন জঙ্গি রয়েছে।
ঢাকার কামরাঙ্গীরচর থেকে আসনারুল্লাহ বাংলা টিমের ২ সদস্যকে আটক করেছে গোয়েন্দা পুলিশ।তাদের কাছ থেকে জিহাদী বই ও চাপাতি উদ্ধার করা হয়।
ময়মনসিংহের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তিন জেএমবি সদস্যসহ ১১০ জনকে আটক করেছে পুলিশ। এর মধ্যে নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন জেএমবি সদস্য গরীবুল্লাহ আকন্দকে মুক্তাগাছার বিন্নাকুড়ি গ্রাম থেকে আটক করা হয়েছে। গরীবুল্লা ‘বাংলাভাই’র সেকেন্ড ইন কমান্ড ছিলেন। তার বিরুদ্ধে হত্যা, ডাকাতি, ও বিষ্ফোরক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে চারটি মামলা রয়েছে।
রাতভর পুলিশের বিশেষ অভিযানে নড়াইলের বিভিন্ন স্থান থেকে ৫২ জন আটক করা হয়েছে। এদের মধ্যে ৬ জন জামাতের কর্মী বলে জানা গেছে।
সন্ত্রাস ও জঙ্গি বিরোধী অভিযানে নাটোরে ৬৩ জন আটক করা হয়েছে। আটককৃতদের মধ্যে জামাত-শিবিরের ৩ কর্মী ছাড়াও নিয়মিত মামলা ও ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামিরা রয়েছে।
দিনাজপুর থেকে আটক হয়েছে ৭২ জনকে। এদের মধ্যে ৩ জন জঙ্গি সদস্য ও ৩ জন জামাতকর্মী রয়েছে।
রাতভর এ বিশেষ অভিযানে নেত্রকোনা থেকে জামাত-শিবিরের ৯ কর্মীকে আটক করেছে পুলিশ। বিভিন্ন মামলার আসামিসহ গাজীপুর থেকে আটক করা হয়েছে ৭৮ জনকে।
এদিকে, পুলিশের এ সাঁড়াশি অভিযানে চট্টগ্রামের বিভিন্ন স্থান থেকে ২১৫ জনকে আটক করা হয়েছে।
অভিযানের অংশ হিসেবে সাতক্ষীরা থেকে আটক করা হয়েছে ৪৭ জনকে। এদের মধ্যে ৯ জন জামাতের কর্মী। বাকিরা বিভিন্ন মামলার আসামি। এছাড়া রাতভর অভিযানে মেহেরপুর থেকে আটক করা হয়েছে ২০ জনকে।