মাদারীপুরে কলেজ শিক্ষক রিপন চক্রবর্তীকে হত্যা চেষ্টার আসামি ফাইজুল্লাহ ফাহিম শনিবার পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছেন।
সকালে ফাহিমের মরদেহ মাদারীপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে আসে পুলিশ। এ সময় পুলিশ কর্মকর্তারা সাংবাদিকদের বলেন, ভোররাতে সদর উপজেলার বাহাদুরপুর ইউনিয়নের মিয়ারচরে ‘বন্দুকযুদ্ধ’ হয়।
পুলিশের দাবি, নিহত ফাহিম ঢাকার উত্তরার একটি কলেজ থেকে এবার এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন—আর তিনি নিষিদ্ধ সংগঠন হিযবুত তাহরীরে যুক্ত ছিলেন।
ফাহিমের দেয়া প্রাথমিক তথ্যের ভিত্তিতে ওই হামলার ঘটনায় ছয়জনের বিরুদ্ধে মামলা করে পুলিশ। এরপর শুক্রবার তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১০ দিনের হেফাজতে নেয় পুলিশ।
এদিকে গতকাল মাদারীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিয়াউল মোরশেদ বলেন, শিক্ষক রিপন হত্যায় চেষ্টার আসামি ফাহিমসহ ৬ জনকে আসামি করে মামলা করা হয়েছে।
জিয়াউল মোরশেদ বলেন, ফাহিমের কাছ থেকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে—তাকে রিমান্ডে নিয়ে আরো জিজ্ঞাসাবাদের প্রযোজন আছে এছাড়াও তাকে নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালাবে পুলিশ।
জানা গেছে, কলেজ ক্যাম্পাসে এ ধরনের হামলার ঘটনায় হতবাক অন্যান্য শিক্ষক ও এলাকাবাসী।
উল্লেখ, বুধবার বিকেলে কলেজ থেকে বাসায় ফেরার সময় ফাহিমসহ ৩ জন সন্ত্রাসী রিপন চক্রবর্তীকে কুপিয়ে মারাত্মক আহত করে। তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়। এ সময় স্থানীয়রা ফাহিমকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে।